নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলেও বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থীর নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। লিখিত ও ভাইভাতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে তীব্র আপত্তি পরিলক্ষিত হয়েছে। তালিকায় নাম না থাকা অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করছেন। তবে এ ধরনের খবরকে বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে মন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক অ্যাডমিন পোস্টে এমন মন্তব্য করা হয়েছে।
পোস্টে বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ্য করছি যে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।’
নিয়োগপত্র না পাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের আশ্বস্ত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এ প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে তা পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র প্রেরণ করা হবে।’
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন/ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতেও একই কথা জানানো হয়েছে।
এফএ