Dhaka Mail Logo

শিক্ষা

কওমি সনদ কোথায় স্বীকৃত, সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম

দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ছয়টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে। এসব বোর্ডের সনদকে সরকারি-বেসরকারি মাদরাসার সহকারী মৌলভী (কারী) ও ইবতেদায়ি কারী পদে নিয়োগের কাম্য যোগ্যতা সরকার স্বীকৃতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের তৃতীয় দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সব কওমি মাদরাসার সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৬ সালে গেজেটের মাধ্যমে ‘কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ’ নামে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীন কওমি মাদরাসাগুলোর দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি)-এর সমমান দেওয়ার লক্ষ্যে দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রির (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়।

ওই আইনের আওতায় ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বোর্ডগুলো হলো— ১. বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ; ২. বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা বাংলাদেশ; ৩. আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ; ৪. আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তালীম বাংলাদেশ; ৫. তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া বাংলাদেশ; ৬. জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন

কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় ৬ দফা প্রস্তাব শায়খ আহমাদুল্লাহর

কওমিকে আলাদা মনে করি না, সংসদে তাদের পক্ষে কথা বলব: জামায়াত আমির

কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের চাকরির সুযোগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, গত ২৩ জুন ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’ সংশোধন করা হয়েছে।

সংশোধিত নীতিমালায় সরকারি-বেসরকারি মাদরাসার সহকারী মৌলভী (কারী) ও ইবতেদায়ি কারী পদে নিয়োগের জন্য উল্লিখিত ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সনদকে কাম্য যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

এর ফলে এসব বোর্ডের সনদধারী কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট পদে চাকরির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল)-এর পাশাপাশি ইলমে কিরাআত বা হিফজুল কোরআনের সনদধারীদের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এমএইচএইচ/জেবি