নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৯ এএম
চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক সংগঠনের এক নেতাকে হেনস্থা করার প্রতিবাদে ছয় ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়েছিল পরিবহন সেবা। পরে বন্দর চেয়ারম্যানের আশ্বাসে কাজে ফিরেছে পরিবহন শ্রমিকরা। তবে এই ছয় ঘণ্টায় ভয়ানক অচলাবস্থা তৈরি হয় পুরো বন্দরজুড়ে। এ সময়ের মধ্যে কোনো পরিবহনকে বন্দরে ঢুকতে বা বের হতে দেখা যায়নি।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেন পরিবহন শ্রমিকরা। যেটি রাত ৯টার দিকে শেষ হয়।
মূলত বন্দর কেন্দ্রিক শ্রমিক সংগঠন ট্রেইলার শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষকে হেনস্থার অভিযোগে এ কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিকরা। বন্দর গেট দিয়ে প্রবেশের পাস ইস্যুকে কেন্দ্র করে এই নেতার সঙ্গে গেটে কর্মরত নিরাপত্তা কর্মীদের প্রথমে বাগবিতণ্ডা ও পরে ধাক্কাধাক্কি হয়।
এর প্রতিবাদে বন্দরের পরিবহন শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করেন। সন্ধ্যার দিকে শ্রমিকদের সঙ্গে বন্দর নিরাপত্তা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠক ফলপ্রসু না হওয়ায় আন্দোলন জারি রাখেন শ্রমিকরা।
পরে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শ্রমিকরা। সেখানে দুই পক্ষের সমঝোতা হলে সচল হয় পরিবহন কার্যক্রম। যদিও এ বিষয়ে বন্দর কর্মকর্তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে আন্দোলন তুলে নেওয়ায় বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন শুরু করেছেন ট্রেইলার চালকরা। বেসরকারি ডিপোগুলোতেও শুরু হয়েছে কর্মচাঞ্চল্য।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কনটেইনার ডিপো মালিকদের সংগঠন বিকডার সচিব রুহুল আমিন সিকদার বলেন, পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন শেষে পরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে।
আন্দোলন চলাকালে রফতানি পণ্য জাহাজীকরণে অচলাবস্থা তৈরি হয়। যদিও সমঝোতার পর পণ্য পরিবহন সচল হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে আমদানি ও রফতানিকারকদের মনে।
প্রতিনিধি/এফএ