নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ জুন ২০২৬, ০৭:২১ পিএম
দেশকে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে থ্রিআর কৌশলে এগোচ্ছে বর্তমান সরকার। থ্রিআর হলো– রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রেস্টোরেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, আগামী এক বছরের মধ্যে অর্থনীতির অবনতির ধারা রোধ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার বিনিয়োগ ও বেসরকারি খাত উন্নয়ন, আর্থিক খাত পুনর্গঠন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, মানব সম্পদ উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।
এছাড়া আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অর্থনীতির কাঠামোগত রুপান্তর, উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধিতে উত্তরণ, বাণিজ্য বহুমুখীকরণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি করা হবে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য সরকার বড় ধরনের অবকাঠামো প্রকল্পের পরিবর্তে মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। দেশের শ্রমবাজারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের অনেকেই কম মজুরি পান। কারণ তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা নেই। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকার কারিগরি ও দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হলো এমন জনশক্তি তৈরি করা, যারা দেশে কিংবা বিদেশে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন এবং বেশি আয় করতে সক্ষম হবেন। একই সঙ্গে সৃজনশীল অর্থনীতি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
এসএইচ/এমআই