নিজস্ব প্রতিবেদক
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারার বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঘটনায় ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের সম্পত্তির তথ্যও চাওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট দফতর ও এজেন্সিকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরে সম্প্রতি অন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ১৫ কর্মচারীকে জনস্বার্থে প্রেষণে মোংলা/পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষে বদলিপূর্বক সংযুক্ত করা হয়েছে। এই বিপথগামী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারা যেন দেশত্যাগ করতে না পারে এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য সংশ্লিষ্ট দফতর ও এজেন্সিকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতি দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, ওই ১৫ কর্মচারীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ নিয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে টানা ক’দিন ধরে কর্মবিরতি পালন করেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে বন্দর কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়।
যাদের বিরুদ্ধে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন– চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও জাতীয়তাবাদী বন্দর শ্রমিক দলের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির, সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন। বাকি কর্মচারীরা হলেন– মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রাব্বানী।
প্রতিনিধি/এফএ