জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) টোকিওতে সই হবে। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ বড় কোনো বাণিজ্য অংশীদারের সঙ্গে বাংলাদেশ এ চুক্তি সই করবে।
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্যবিষয়ক আলোচক দলের সদস্যরা টোকিওর উদ্দেশ্যে রওনা হন।
বিজ্ঞাপন
এরআগে উপদেষ্টা পরিষদ গত ২২ জানুয়ারি ইপিএ অনুমোদন দেয়, যা আগামী নভেম্বরে এলডিসি মর্যাদা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধার কাঠামো নির্ধারণ করবে।
আরও পড়ুন: সিকিমের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রংপুর
এ চুক্তির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য বাজার সুবিধা পাওয়া যাবে। চুক্তিটি কার্যকর হলে বাংলাদেশ থেকে রফতানিকৃত সাত হাজার ৩৭৯টি পণ্যে (যা মোট রপ্তানির ৯৭ শতাংশ) শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেবে জাপান-এর মধ্যে প্রধান পোশাকপণ্যও রয়েছে। বিপরীতে, বাংলাদেশ ১৮ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে এক হাজার ৩৯টি জাপানি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে।
পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি ইপিএতে সেবাখাতের বাণিজ্যও অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশ ১২টি সেবাখাতের ৯৭টি উপখাত জাপানের জন্য খুলবে এবং জাপান ১২০টি উপখাত বাংলাদেশের জন্য উন্মুক্ত করবে। এতে জাপানি বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়বে এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
বর্তমানে জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এশীয় রফতানি বাজার, যেখানে বছরে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়—যার বড় অংশই পোশাকপণ্য। গত জানুয়ারিতে জাপান নিশ্চিত করে যে তারা ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেবে।
এমআই

