০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে বাজারে আগাম শীতের সবজি উঠতে শুরু করেছে। তবে বাজারে সবজির সরবরাহ থাকলেও দামে স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। দাম শুনে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় কম সবজি কিনছেন, কেউবা না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে বোচাগঞ্জের সাপ্তাহিক বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ২০০ টাকায়। এছাড়া ধনেপাতা ২০০ টাকা, পেঁপে ২৫, ফুলকপি ৬০, বাঁধাকপি ৬০, ঝিঙা ৪০ ও করলা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অধিকাংশ সবজির দামই ৫০ টাকার ওপরে।
বাজারে আগাম শীতের সবজি উঠলেও চড়া দামে তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিশেষ করে শিমের দাম ২০০ টাকা হওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ।
বাজারে সবজি কিনতে আসা আব্দুল জলিল বলেন, ‘বাজারে এসে সবজির দাম শুনলেই চিন্তা করতে হচ্ছে। শীতের সবজি আসায় আমরা ভেবেছিলাম দাম কিছুটা কমবে। কিন্তু শিমসহ অনেক সবজির দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। আয় তো বাড়েনি, অথচ বাজার খরচ দিন দিন বাড়ছে।’
আরেক ক্রেতা তরুন বাবু বলেন, ‘সবজির দাম কমার জন্য অপেক্ষা করছি। এখন বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে অনেক কিছুই বাদ দিতে হচ্ছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য প্রতিদিনের বাজার করা দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’
বাজারে সবজি কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শীতের সবজি বাজারে উঠতে শুরু করেছে, কিন্তু দাম কমার বদলে উল্টো বেশি। ২০০ টাকা কেজি শিম কিনে খাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য কঠিন।’
সবজি বিক্রেতা ধীরেন বলেন, আমরা বেশি দামে কিনে আনছি, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারেই শিমের দাম অনেক বেশি। পরিবহন খরচসহ অন্যান্য খরচ যোগ হওয়ায় খুচরা বাজারে দাম আরও কিছুটা বাড়ছে।
বোচাগঞ্জ বাজারের সবজি বিক্রেতা রহিমুল ইমলাম বলেন, আমদানি বেশি হওয়ায় গত সপ্তাহের তুলনায় বেশির ভাগ সবজির দাম কিছুটা কমেছে। তবে শিমের সরবরাহ এখনো কম থাকায় এর দাম বেশি। বাজারে শিমের সরবরাহ আরও বাড়লে দামও কমে আসবে বলে আশা করছি।
প্রতিনিধি/এসআই