Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

নরসিংদীর সেই নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলকে শোকজ

জেলা প্রতিনিধি

১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম

নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের শতভাগ জিপিএ ফাইভ অর্জনের ঘটনা নিয়ে দেশব্যাপী বিতর্ক সৃষ্টি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর স্কুলটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সার্বিক সত্যতা যাচাই ও ব্যাখ্যা চেয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ পাঠিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার বিদ্যালয় পরিদর্শক মো. মাসুদ রানা খানের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়, চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর নরসিংদীর ‘নাসিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস্’-এর শতভাগ জিপিএ ফাইভ অর্জনের জন্য নিয়মবহির্ভূত কৌশল অবলম্বনের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর তথ্য, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর তথ্য, এসএসসির নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর তথ্য এবং এসএসসি পরীক্ষায় ফরমপূরণকৃত শিক্ষার্থীর তথ্যসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র সশরীরে উপস্থিত হয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে উত্থাপিত অভিযোগের কারণ ব্যাখ্যার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অত্যন্ত জরুরি এই নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

এবার নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস থেকে ৩৮২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ জিপিএ ফাইভ পেয়েছে। এখানে টেস্ট পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়নি। অথচ এখান থেকে টিসি পাওয়া শিক্ষার্থীরা অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষা দিয়ে অনেকটা চমক দেখিয়েছে। তাদের মধ্যে ২৫ জন জিপিএ ফাইভ পেয়েছে।

শতভাগ জিপিএ ফাইভ অর্জন সাফল্যের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে টেস্টে নিয়ম-বহির্ভূত উপায়ে শিক্ষার্থী ছাঁটাইয় প্রসঙ্গে।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬০১ জন। কিন্তু দুই বছর পর ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩৮২ জন। অর্থাৎ নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনের পর থেকে এসএসসি পরীক্ষা পর্যন্ত ২১৯ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়নি।

প্রতিনিধি/এলএ