Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

পথসভায় মাইক কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ, যা বললেন বিএনপি নেতা নজরুল ঠাকুর

জেলা প্রতিনিধি

০৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৫ এএম

নড়াইলের লোহাগড়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার তাইবুল হাসানের কাছ থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া এবং তাকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযুক্ত বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট নেওয়াজ আহমেদ নজরুল ঠাকুর।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে তিনি এ ঘটনার বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।

লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও লোহাগড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র নেওয়াজ আহমেদ নজরুল ঠাকুর অভিযোগ অস্বীকার না করে ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, র‍্যালির সময় ছাত্রদল নেতা ইঞ্জিনিয়ার তাইবুল হাসান বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সামনে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যানার নিয়ে টানাটানিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে ছাত্রদলের নেতা হয়েও তিনি বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন, যা তার কাছে অস্বস্তিকর ও অনভিপ্রেত মনে হয়েছে।

আরও পড়ুন

বক্তব্যের সময় মাইক কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে ছাত্রদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

তিনি আরও বলেন, তাইবুল হাসানের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মঞ্চের বাইরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই তিনি তার কাছ থেকে মাইকটি নিয়ে নেন। পরে বিষয়টি নিয়ে তাইবুল হাসানের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং তিনি তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে লোহাগড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ইঞ্জিনিয়ার তাইবুল হাসান অভিযোগ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ৫ আগস্ট আয়োজিত পথসভায় তিনি সাংগঠনিক বক্তব্য দিচ্ছিলেন। বক্তব্যে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানোর সময় অ্যাডভোকেট নেওয়াজ আহমেদ নজরুল ঠাকুর তার কাছ থেকে মাইক কেড়ে নিয়ে প্রকাশ্যে অপমান ও লাঞ্ছিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তাইবুল হাসান বলেন, ছাত্রদলের রাজনীতি করতে গিয়ে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং কারাবাসও করেছেন। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহসাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু এবং জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমসহ দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের প্রতি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

প্রতিনিধি/এসএস