জেলা প্রতিনিধি
০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় রফিকুল ইসলাম (৫০) নামে এক আইনজীবীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষরা।
এ সময় হামলাকারীদের কোপে তার বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানও জখম হন।
রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার রোয়াইলবাড়ি-সাহিতপুর বাজার সড়কের আমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরে তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ) (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। রফিকুল ইসলামের হাত, পা ও উরুসহ শরীরে অসংখ্য কোপের জখম রয়েছে।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আইনজীবী রফিকুল ইসলাম উপজেলার আমতলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য।
স্থানীয় লোকজন ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার সকালে রফিকুল ইসলাম তার বড় ভাইকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে নেত্রকোনায় আদালতের উদ্দেশে বাড়ি থেকে রওনা হন। বাড়ি থেকে কিছুটা দূর যেতেই প্রতিপক্ষের আনোয়ার ও সাইফুলসহ একদল হামলাকারী তাদের গতিরোধ করে রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আইনজীবী রফিকুল ইসলামের পা ও উরুসহ সারা শরীরে অসংখ্য কোপের ক্ষত রয়েছে। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। পরিবারের দাবি- প্রতিবেশী আনোয়ার ও সাইফুলের সঙ্গে রফিকুলের নানা বিষয় নিয়ে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে।
এর আগেও দুইবার তাদের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, সম্প্রতি আনোয়ার ও সাইফুলের এক ভাই নূরু মিয়া নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তার পরিবার একটি হত্যা মামলা দায়ের করে, যেখানে রফিকুল ইসলামসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এই ঘটনার জের ধরেই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ বলেন, আহত রফিকুল ইসলাম ও তার ভাই মমেক হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে এখনও থানায় অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
প্রতিনিধি/এসএস