Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

মাঠ প্রশাসনকে তিন নির্দেশনা দিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, বিদ্যুৎকে স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসা ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার এই তিন বিষয়ে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর সার্কিট হাউজে বিভাগীয় পর্যায়ে সব জেলা প্রশাসককের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, মাঠ প্রশাসনকে ওই তিন বিষয়ে ছাড়াও মাদক ও দুর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্সের কথা তুলে ধরাসহ বিভাগের অনেক দফতরে কর্মকর্তা-কর্মচারী ঘাটতি রয়েছে, অন্যান্য বিভাগের তুলনায় রংপুর বিভাগে অনেক প্রকল্প অন্তর্ভুক্তি হয়নি এখনও সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মানুষ যাতে খুব সহজে সেবা পায় সেই বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে।

আরও পড়ুন

প্রশাসক নিয়োগ হলেও সঠিক সময়ে স্থানীয় নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে রংপুর বিভাগে বৈষম্য হয়েছে, যার কারণে মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এবারে যাতে কোনো বৈষম্য না হয় বাজেটে সেই চেষ্টা করব এই অঞ্চলের সন্তান হিসেবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের প্রাক্কালে রংপুরে এসেছিলেন, তিনিও রংপুরের উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে বলেছেন। তিনি রংপুরের উন্নয়নে কলকারখানা স্থাপনসহ এই অঞ্চলকে আর পিছিয়ে পড়তে দেওয়া হবে না। তাছাড়া রংপুর অঞ্চল খাদ্য উৎপাদনের অঞ্চল, এখানকার জমি সস্তা, শ্রম সস্তা, মানুষ ভালো, আইনশৃঙ্খলা ভালো। তাই অপেক্ষা করেন, রংপুর অঞ্চলও অন্যান্য অঞ্চলের মতো সমভাবে উন্নত হবে।

99e2ed0d-c969-454d-b482-f5177d072f9b

তিস্তা নদী প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তিস্তা নদী নিয়ে আর কোনো বিচ্ছিন্ন প্রকল্প হবে না। তিস্তা খনন, কিংবা তিস্তার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে তিস্তা নদী শাসন ও খননেন কাজ করা হবে। বিএনপি একটি জনবান্ধব রাজনৈতিক দল। তাই অল্প সময়ের মধ্যে জনগণের দাবিগুলো বিবেচনায় নিয়ে তিস্তা বাস্তবায়ন করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী, রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামুসহ প্রশাসন এবং বিএনপির নেতারা।

প্রতিনিধি/এসএস