বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

প্রশাসক নিয়োগ হলেও সঠিক সময়ে স্থানীয় নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৯ পিএম

শেয়ার করুন:

প্রশাসক নিয়োগ হলেও সঠিক সময়ে স্থানীয় নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  ছবি: সংগৃহীত

ছয় সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সঠিক সময়েই হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

৬টির সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাচ্ছে কিনা সাংবাদিকদের এরকম প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা জানান।


বিজ্ঞাপন


তিনি বলেন, ‘না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে সরকারি কতগুলো নিয়ম কানুন আছে। সরকারি যেসব প্রথাগুলো আছে সেগুলোর মধ্যে কতগুলো মেয়াদ আছে, কতগুলো মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে…. সবগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে আমরা সরকারের তরফ থেকে একটা সঠিক সময়ে এই নির্বাচনগুলো দেওয়ার ব্যবস্থা আমরা করব। তবে নিঃসন্দেহে এই নির্বাচনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

সকাল সাড়ে ১০টায় নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন। নেতা-কর্মী সমর্থক-অফিস কর্মচারীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর এই প্রথম বিএনপি কার্যালয়ে আসলেন।

সংসদে নারী আসন দলীয় প্রার্থীর যোগ্যতার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নারী আসনের নির্বাচন এটা তো আপনার পার্লামেন্টের সিদ্ধান্ত হবে। আর প্রার্থী মনোনয়নের যোগ্যতা হবে দলের আদর্শ, নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিবিড় সম্পৃক্ততা থাকতে হবে, দলের জন্য ত্যাগ থাকতে হবে। আমাদের দলের মধ্যে যারা দলের সঙ্গে নিবিড় ভাবে সম্পৃক্ত আছেন, যাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা রয়েছে তাদেরকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।


বিজ্ঞাপন


নারী আসনে মনোনয়ন একই পরিবারের দুই সদস্য বিবেচনা করা হবে কিনা জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এটা এখনই কিছু বলা যাবে না। এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

নয়া পল্টন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার শুরুতে দলের চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই কেন্দ্রীয় অফিসটি আমাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এখান থেকেই গণতন্ত্রের উত্তরণ ও সংগ্রামের সব আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে। এই অফিসের সামনেই আমাদের নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বহু সমাবেশ করেছি, যা জনগণকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছে।’

‘আজ খুব কষ্টের সঙ্গে আমাদের স্মরণ করতে হয়, বাংলাদেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ১৯৯১ সালে সরকার গঠন করেছেন। পরবর্তীকালে ১৯৯৬ সালসহ পরবর্তী প্রতিটি আন্দোলনে তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নেতৃত্ব দিয়েছেন।’

‘আমরা বিশ্বাস করি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশেই নয়, এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বদানকারী নেতাদের মধ্যে নিঃসন্দেহে অন্যতম। আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন।’

কার্যালয়ের ব্রিফিং কক্ষে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। 

এই সময়ে বিএনপির সহ দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং, নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান, হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন কুমার মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিইউ/এমআই

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর