জেলা প্রতিনিধি
৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাছ ব্যবসায়ী রাব্বী মিয়া(২২) হত্যা মামলার পলাতক আসামি টুটুল মিয়াকে (২৩) গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহের নান্দাইল থেকে তাকে গ্রেফতারর করা হয়।
ময়মনসিংহ র্যাব-১৪, কিশোরগঞ্জ সিপিসি-২ এর একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। পরে মোহনগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের জন্য পাঠানো হয়।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কিশোরগঞ্জ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহাজাহান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতার টুটুল মোহনগঞ্জ পৌরশহরের বাসিন্দা।
নিহত রাব্বী পৌর শহরের টেংগাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মাছ ব্যবসায়ী আনিছ মিয়ার ছেলে। তিনিও পেশায় মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন।
জানা গেছে, এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২ মার্চ সন্ধ্যায় রাব্বি মোহনগঞ্জ পৌর শহরের মৎস্য আড়তে মাছ বিক্রি করছিলেন। রাত আটটার দিকে কয়েকজন এসে রাব্বিকে পাশে রেলস্টেশন পুকুরপাড়ে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় ওই দুর্বৃত্তরা। এদিকে ছুরিকাঘাতে রাব্বি গুরুতর আহত হন। প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফিয়ে পড়েন তিনি। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাত ১১টার দিকে ওই হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় একদিন পর রাব্বীর বাবা বাদী হয়ে টুটুলসহ ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ঘটনার পর রাফি মিয়া ও সুজন মিয়া নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। বেশ কিছুদিন পর তারা জামিনে মুক্তি পায়। তবে টুটুলসহ কয়েকজন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। এদিকে পলাতকদের ধরতে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে অভিযান চালায় র্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার ময়মনসিংহের নান্দাইল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, গ্রেফতার টুটুলকে নিয়ে রওনা হয়েছে পুলিশ। কিছুক্ষণ পরে এসে পৌছবে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।
প্রতিনিধি/ এজে