Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

‘ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে পাহাড়কে অশান্ত করার পরিকল্পনা করেছে’

জেলা প্রতিনিধি

০১ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:০৬ পিএম

খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেছেন, খাগড়াছড়ির ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে পাহাড়কে অশান্ত করার পরিকল্পনা করেছে ইউপিডিএফ। পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা বৃহৎ পরিকল্পনার অংশ। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তিনি এ কথা বলেন।

অপরদিকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেন, খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় হামলা সম্পর্কে দেশবাসীকে যেভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাতে পাহাড়ের চলমান পরিস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং হামলাকারীদের উৎসাহিত করবে। তিনি জানান, যারা অগ্নিসংযোগ করেছিল তারা আসলে ইউপিডিএফের কেউ নয়। 

এ বিষয়ে আজ বুধবার (১ অক্টোবর) রিজিয়ন কমান্ডার হাসান মাহমুদ বলেন, সামনে দেশে জাতীয় নির্বাচন রয়েছে। এগুলো বানচালের জন্য ইউপিডিএফ এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, পূর্ব পরিকল্পনা মতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো শহরে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। শহরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পর গুইমারায় গিয়ে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় ৩ জন নিহতের ঘটনা ঘটে। এর জন্য দায়ী ইউপিডিএফ।

আরও পড়ুন

পাহাড়কে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা হচ্ছে: সেনা কর্মকর্তা

খাগড়াছড়ি সদর জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল মো. খাদেমুল ইসলাম আজ বুধবার বিকেলে বলেন, খাগড়াছড়ি শহর বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঝুঁকি মুক্ত। ১৪৪ ধারা কার্যক্রমে সেনাবাহিনী তরফ আছে। এই শহরে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আপাতত নেই।

আরও পড়ুন

খাগড়াছড়িতে নিহত তিনজনের পরিচয় মিলেছে, পরিস্থিতি উন্নতির দিকে

জেলা পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল জানান, খাগড়াছড়ির স্কুল ছাত্রীর শরীরে ধর্ষণের আলামত মেলেনি। ১৪৪ ধারা বহাল থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে।

আরও অড়ুন

খাগড়াছড়ি-গুইমারার সহিংসতায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

বুধবার (১ অক্টোবর) বিকেলে খাগড়াছড়ি সদরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা স্বনির্ভর বাজার পরিদর্শন করেছে জেলা প্রশাসক মো. এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল, জেলা পরিষদ (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, প্রেস ক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য্য।

প্রতিনিধি/এসএস