images

সারাদেশ

বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক কারাগারে

জেলা প্রতিনিধি

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:০৬ পিএম

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ১৫ বছর বয়সী এক বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো.আফজাল (৩০) নামে প্রতিবেশী এক যুবককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

নড়িয়া থানা ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, নড়িয়া উপজেলার নশাসন ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা ১৫ বছর বয়সী কিশোরী বাক প্রতিবন্ধী।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাদের বসতবাড়ির একটি ভবনের ছাদে সে (কিশোরী) খেলা করছিল। তখন প্রতিবেশী যুবক আফজাল ওই ছাদে যায়। সেখানে কিশোরীকে একা পেয়ে ছাদের দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে ওই কিশোরী ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানায়। স্বজনরা তাকে দ্রুত শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সোমবার রাতে ওই কিশোরীর বাবা নড়িয়া থানায় ধর্ষণের অভিযোগে আফজালের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সোমবার রাতে নশাসন থেকে আফজালকে গ্রেফতার করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) তাকে আদালতের মাধ্যমে শরীয়তপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

টাঙ্গাইলে ধর্ষণের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডে (সার্জারি) গিয়ে দেখা যায়, ওই কিশোরীর চিকিৎসা চলছে। সঙ্গে তার মা হাসপাতালের শয্যায় বসে আছেন। তিনি (কিশোরীর মা) বলেন, আমার মেয়ে কথা বলতে পারে না। তাই বাড়ির বাইরে ওকে একা যেতে দেই না। বাড়ির ছাদে খেলতে গেলে পাশের বাড়ির আফজাল মেয়ের সঙ্গে জবরদস্তি করে। এভাবে নিজেদের বাড়ির ছাদে মেয়ে ধর্ষণের শিকার হবে তা কখনও ভাবতে পারিনি।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক রোকসানা বিনতে আকবর বলেন, মেয়েটির পরিবার বলেছেন সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আমরা সে অনুযায়ী চিকিৎসা দিয়েছি। ধর্ষণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ওই সব আলামত ও নমুনার ফলাফল আসলে ধর্ষণের বিষয়টা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম উদ্দিন বলেন, সোমবার এক বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওই ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা করার পরে তদন্ত কাজ শুরু করবেন।

প্রতিনিধি/এসএস