Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

মাংকিপক্স শনাক্ত করতে সক্ষম যবিপ্রবি

জেলা প্রতিনিধি

১৯ আগস্ট ২০২৪, ০৮:৪৮ পিএম

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মাংকিপক্স ভাইরাস শনাক্তকরণে সক্ষম যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টার। ভাইরাসটি শনাক্ত করার জন্য জিনোম সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) কর্তৃক প্রদত্ত তিন সেট প্রাইমারও রয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ শাখা উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রশিদ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: পদত্যাগের দাবিতে যবিপ্রবি উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা দাহ

যবিপ্রবির জিনোম সেন্টার থেকে জানানো হয়েছে, তাদের ল্যাবটি সাইবার-গ্রিন পদ্ধতি ব্যবহার করে রিয়েলটাইম-পিসিআর মেশিনের মাধ্যমে মাংকিপক্স ভাইরাস শনাক্তকরণে সক্ষম।

এছাড়া ডিএনএ/আরএনএ এক্সট্রাকশনের সব ধরনের সামগ্রী, রি-এজেন্ট কিট ও পর্যাপ্ত পরিমাণ যন্ত্রপাতি রয়েছে। মহামারী করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে ৮ মার্চ ২০২০ সালে ছড়িয়ে পড়লে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে জিনোম সেন্টার চালু করে। তারা ২০২০ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণ শুরু করে। 

আরও পড়ুন: পদত্যাগ করলেন চুয়েট ভিসি  

ল্যাবটিতে যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা থেকে পাওয়া নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বিভিন্ন সময় ল্যাবের মান নিয়ন্ত্রণে সিডিসি, ডব্লিউএইচও ও আইইডিসিআরে নমুনা দিয়ে মান যাচাই করা হয়েছে। ল্যাবটিতে এ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ ২৬ হাজার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আরও বলা হয়েছে, অতীতের অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশে ভবিষ্যতে মাংকিপক্স ভাইরাস শনাক্তকরণ এবং মাংকিপক্স ভাইরাসের পজিটিভ নমুনা থেকে সিকোয়েন্সিং করে ভাইরাসের ধরন শনাক্তকরণেও জিনোম সেন্টারের সক্ষমতা রয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলে মাংকিপক্স ভাইরাস শনাক্তকরণ ও গবেষণায় ল্যাবটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

প্রতিনিধি/ এমইউ