অটোমোবাইল ডেস্ক
২১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম
পেট্রোল ফুরিয়ে আসার সঙ্কেত দেখা দিলেও অনেকেই গাড়ি সরাসরি রিজার্ভে নিয়ে যান এবং শেষ ফোঁটা পর্যন্ত বাইক চালানোর চেষ্টা করেন। পেট্রোল প্রায় শেষ হয়ে গেলেও বাইক ঠেলে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে জোর করে স্টার্ট করে চালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায় অনেক চালকের মাঝেই। তবে সবসময় কম পেট্রোল বা রিজার্ভে গাড়ি চালালে যে ইঞ্জিন এবং পকেটের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, সে বিষয়ে অনেকেই ওয়াকিবহাল নন।

বর্তমানে আধুনিক বাইকগুলিতে ট্যাংকের ভেতরে ইলেকট্রিক ফুয়েল পাম্প থাকে, যা সবসময় পেট্রোলের মধ্যে ডুবে থেকে ঠান্ডা থাকে এবং লুব্রিকেট হয়। ট্যাংকে সবসময় কম পেট্রোল থাকলে এই পাম্প শুকিয়ে অতিরিক্ত গরম হয়ে অল্পদিনেই পুড়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
_20260821_095440811.jpg)
এছাড়া দীর্ঘদিনের ব্যবহারে ট্যাংকের তলায় সূক্ষ্ম ধুলাবালি ও ময়লা জমে থাকে। পেট্রোল প্রায় শেষ হয়ে গেলে পাম্প সেই ময়লা সরাসরি ইঞ্জিন বা ফুয়েল ইনজেক্টরের দিকে টেনে নেয়, যার ফলে বাইক চলার সময় বারবার ঝাঁকুনি দেওয়া, পিকআপ কমে যাওয়া এবং মাইলেজ হ্রাসের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

পুরনো বা কার্বোরেটরযুক্ত বাইকের রিজার্ভ অপশনটি মূলত জরুরি পরিস্থিতির জন্য রাখা হয়েছে। তাই বাইক রিজার্ভে চলে গেলেই দ্রুত কাছের পেট্রো পাম্পে গিয়ে তেল নেওয়া উচিত। পেট্রোল শেষ হয়ে বাইক বন্ধ হয়ে গেলে সেটিকে জোর করে বারবার সেলফ মেরে বা ঝাঁকিয়ে চালু করার চেষ্টা করা মোটেও ঠিক নয়, এতে ইঞ্জিনের অভ্যন্তরীণ যন্ত্রাংশ দ্রুত ক্ষয় হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: পেট্রোল-অকটেন কি লিটারে ভরবেন নাকি টাকার অংকে? কোনটা লাভজনক
ফুয়েল পাম্প ও ইঞ্জিনের দীর্ঘস্থায়িত্ব বজায় রাখতে ট্যাংক কখনো সম্পূর্ণ খালি না রেখে সবসময় অন্তত দুই থেকে তিন লিটার বা ন্যূনতম পঁচিশ শতাংশ পেট্রোল বা অকটেন অবশিষ্ট রাখা উচিত।
এজেড