অটোমোবাইল ডেস্ক
১৪ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫০ পিএম
নতুন মোটরসাইকেল কেনার কথা ভাবলেই প্রায়ই আমাদের কানে আসে ১০০ সিসি, ১৫০ সিসি বা তারও বেশি ক্ষমতার ইঞ্জিনের কথা। কিন্তু এই সিসি আসলে কী এবং এর সঙ্গে বাইকের গতির ঠিক কী সম্পর্ক রয়েছে, তা অনেকেই পরিষ্কারভাবে জানেন না। খুব সহজ ভাষায় মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের এই পরিমাপ পদ্ধতি এবং ক্ষমতার হিসাব বুঝে নেওয়া যাক।
ইঞ্জিনের সিসি বলতে কী বোঝায়?
সিসির পুরো অর্থ হলো কিউবিক সেন্টিমিটার (Cubic Centimeter)। এটি মূলত মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের সিলিন্ডারগুলোর মোট আয়তন বা ডিসপ্লেসমেন্টকে নির্দেশ করে, যার মাধ্যমে ইঞ্জিন একসঙ্গে কতটা বাতাস ও জ্বালানি গ্রহণ করতে পারে তা মাপা হয়।

সহজ হিসাব অনুযায়ী, এক হাজার সিসি মানে হলো এক লিটার। যেমন কোনো বাইকের ইঞ্জিন ১৫০ সিসির হলে, এর মানে হলো ওই ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের ধারণক্ষমতা ১৫০ কিউবিক সেন্টিমিটার।
সাধারণত বড় সিসির মোটরসাইকেল মানেই বেশি শক্তি ও গতি উৎপাদন ক্ষমতা। কারণ এই ইঞ্জিনগুলো একসঙ্গে বেশি পরিমাণ জ্বালানি ও বাতাস ব্যবহার করতে পারে, যা বাইকটিকে দ্রুত গতি এবং ওভারটেক করার সময় বাড়তি টর্ক বা শক্তি দিতে সাহায্য করে। যেমন একটি ১৫০ সিসির ইঞ্জিনযুক্ত বাইক সাধারণত ১০০ সিসির বাইকের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে থাকে, যদিও এর জ্বালানি খরচ বা মাইলেজও তুলনামূলক কম হতে পারে।
তবে প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে আজকাল ছোট ইঞ্জিনের বাইকের মধ্যেও দারুণ ক্ষমতা আনা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানের অনেক আধুনিক মোটরসাইকেলে উন্নত ফুয়েল ইনজেকশন ও শক্তিশালী ইঞ্জিন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যার ফলে কম সিসি হওয়া সত্ত্বেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: হোন্ডা মোটরসাইকেলের দাম কমল
অন্যদিকে, মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন থেকে যে মোট শক্তি বা ক্ষমতা উৎপন্ন হয়, তাকে বিএইচপি (Brake Horsepower) বা হর্সপাওয়ার বলা হয়। এই বিএইচপির মাধ্যমেই মূলত বাইকের ত্বরণ (acceleration), শীর্ষ গতি এবং সামগ্রিক কার্যক্ষমতার সঠিক ধারণা পাওয়া যায়।
এজেড