অটোমোবাইল ডেস্ক
২১ জুলাই ২০২৬, ১০:০৩ এএম
হিরো স্প্লেন্ডার প্লাস স্পোর্টস এখন শুধু পারফরম্যান্সেই নয়, স্টাইলেও আরও বেশি আকর্ষণীয় করে বাজারে আনা হয়েছে। নতুন এই সংস্করণে তিনটি নজরকাড়া রঙের অপশন রাখা হয়েছে। এগুলো হলো রেড উইথ সিলভার স্ট্রাইপ, ম্যাট গ্রে এবং ম্যাট নেক্সাস ব্লু। প্রতিটি রাইডে বাইকারদের আলাদা আত্মবিশ্বাস দিতে এই কালার ভ্যারিয়েন্টগুলো দারুণ মানানসই।
আরও পড়ুন: মোটরসাইকেলে ফোন মাউন্ট করলে কি ক্যামেরা নষ্ট হয়ে যায়?
বাইকটির ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্সের দিকে তাকালে দেখা যায়, এতে ৯৭.২ সিসির এয়ার-কুলড, ৪-স্ট্রোক, ওএইচসি ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে কিক এবং সেলফ—উভয় স্টার্টের সুবিধাই রয়েছে। এই ইঞ্জিনটি ৮০০০ আরপিএম-এ ৮.৩৬ পিএস শক্তি এবং ৫০০০ আরপিএম-এ ৮.০৫ এনএম টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম। মসৃণ গিয়ার পরিবর্তনের জন্য এতে রয়েছে ৪-স্পিড কনস্ট্যান্ট মেস গিয়ারবক্স এবং ওয়েট মাল্টি-প্লেট ক্লাচ। চমৎকার এই কমিউটার মোটরসাইকেলটি ৫০ থেকে ৫৫ কিমি প্রতি লিটার মাইলেজ দিতে সক্ষম।
ব্রেক ও সাসপেনশন সিস্টেমে সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। রাইডারদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বাইকের সামনে ও পেছনে উভয় চাকাতেই রয়েছে ১৩০ মিলিমিটারের ড্রাম ব্রেক এবং টিউবলেস টায়ার। পাশাপাশি সামনে টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পেছনে ৫-স্টেপ অ্যাডজাস্টেবল রিয়ার শক অ্যাবজরবার ব্যবহার করা হয়েছে, যা যেকোনো রাস্তায় আরামদায়ক রাইডিং নিশ্চিত করে।
বাইকটির সামগ্রিক মাপে রয়েছে ২০০০ মিলিমিটার দৈর্ঘ্য, ৭২০ মিলিমিটার প্রস্থ এবং ১০৪০ মিলিমিটার উচ্চতা। এর হুইলবেস ১২৩০ মিলিমিটার এবং গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৫৯ মিলিমিটার। বাইকটির কার্ব ওয়েট বা মোট ওজন ১১২.৩ কেজি এবং এর জ্বালানি ধরে রাখার ক্ষমতা ১১ লিটার। এছাড়া ইলেকট্রিক ফিচারের মধ্যে রয়েছে ১২ ভোল্ট-৩ অ্যাম্পিয়ারের মেইনটেন্যান্স-ফ্রি ব্যাটারি এবং ৩৫/৩৫ ওয়াটের হ্যালোজেন হেডলাইট।
দৈনন্দিন যাতায়াত বা অফিস যাতায়াতের জন্য নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী বাইক হিসেবে হিরো স্প্লেন্ডার প্লাস স্পোর্টস তরুণ প্রজন্মের মাঝে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর সঠিক দাম এবং এভেইলাবিলিটি সম্পর্কে জানতে হিরো মোটোকর্প বাংলাদেশের অফিসিয়াল পেজ বা নিকটস্থ ডিলারের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
এজেড