images

অটোমোবাইল

১৫০ টাকা খরচে সারা মাস চলবে এই ইলেকট্রিক স্কুটার

অটোমোবাইল ডেস্ক

২৯ মে ২০২৬, ১১:২৬ এএম

জ্বালানি তেলের ক্রমাগত দাম বৃদ্ধির কারণে বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় হয়েছে। প্রতিদিন যাতায়াতের জন্য পেট্রোল ভরতে গিয়ে পকেট থেকে চলে যাচ্ছে একগাদা টাকা। মধ্যবিত্তের এই অর্থনৈতিক চাপ কমাতে বাজারে দারুণ সাশ্রয়ী বিকল্প হয়ে উঠেছে ভারতীয় ইলেকট্রিক টু-হুইলার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এথারের নতুন স্কুটার 'এথার রিজটা'। 

নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির দাবি অনুযায়ী, প্রতিদিন যদি এই স্কুটার দিয়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া হয়, তবে পুরো মাসে বিদ্যুৎ বিল বাবদ খরচ হবে মাত্র ১০৭ রুপির মতো। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫০ টাকা। যারা প্রতিদিনের যাতায়াতে বড় অঙ্কের টাকা বাঁচাতে চান, তাদের জন্য এই স্কুটারটি একটি চমৎকার এবং যুগোপযোগী সমাধান হতে পারে।

এই ইলেকট্রিক স্কুটারটি চালানোর খরচ এতটাই কম যে প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় হয় মাত্র ১৫ পয়সা। ভারতের বাজারের এই হিসাবকে যদি বর্তমান মুদ্রা বিনিময় হার অনুযায়ী বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করা হয়, তবে প্রতি কিলোমিটারে খরচ দাঁড়াবে মাত্র ২১ পয়সার মতো। সেই হিসেবে প্রতিদিন ১৫ কিলোমিটার করে মাসে ৪৫০ কিলোমিটার পথ চললে বাংলাদেশি টাকায় পুরো মাসের চার্জিং খরচ হবে মাত্র প্রায় ১৫০ টাকা। জ্বালানি চালিত সাধারণ স্কুটারের তুলনায় এই খরচ একেবারেই সামান্য, যা রাইডারদের প্রতি মাসে যাতায়াত খরচের একটি বিশাল অংশ বাঁচিয়ে দেবে। বাজারে আসার অল্প দিনের মধ্যেই এই স্কুটারটি গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

scooti

স্কুটারটি মূলত ২.৯ কিলোওয়াট-ঘণ্টা এবং ৩.৭ কিলোওয়াট-ঘণ্টার দুটি আলাদা ব্যাটারি সংস্করণে পাওয়া যাচ্ছে। একবার ফুল চার্জ দিলে সংস্করণভেদে স্কুটারটি ১২৩ কিলোমিটার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৫৯ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ অনায়াসে পাড়ি দিতে পারে। ভারতীয় বাজারে এই স্কুটারটির এক্স-শোরুম দাম শুরু হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার রুপি থেকে, যা বাংলাদেশি টাকায় কনভার্ট করলে দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। তবে ব্যাটারির সক্ষমতা এবং আধুনিক ফিচারের ওপর ভিত্তি করে এর উচ্চতর সংস্করণগুলোর দাম আরও কিছুটা বেশি হতে পারে।

আরও পড়ুন: নতুন সাসপেনশন ও রাইডিং মোড নিয়ে বাজারে এলো বাজাজ পালসার এন১৬০

দারুণ সাশ্রয়ী হওয়ার পাশাপাশি এই স্কুটারে গ্রাহকদের সুবিধার্থে বেশ কিছু আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। রাইডারদের আরামের কথা মাথায় রেখে এতে দেওয়া হয়েছে বিশাল আকারের ৫৬ লিটারের স্টোরেজ ক্যাপাসিটি এবং বেশ বড় ও আরামদায়ক সিট। এছাড়া নিরাপদ রাইডিং নিশ্চিত করতে এতে রয়েছে উন্নত স্কিড কন্ট্রোল সেফটি সিস্টেম, কানেক্টেড টেকনোলজি ফিচার এবং ওভার দ্য এয়ার সফটওয়্যার আপডেটের সুবিধা।

২০২৪ সালের এপ্রিলে বাজারে আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই মডেলটির ৩ লক্ষাধিক ইউনিট ডেলিভারি হয়েছে, যা এই বেঙ্গালুরু ভিত্তিক কোম্পানিটিকে ভারতের বাজারে টিভিএস মোটর এবং বাজাজ অটোর পরেই তৃতীয় বৃহত্তম বৈদ্যুতিক দুই চাকার বাহন নির্মাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

এজেড