অটোমোবাইল ডেস্ক
১৭ মে ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম
বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের বাজারে আগুন লেগেছে। পেট্রোল কিংবা ডিজেল ভরতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। সরকারে পক্ষ থেকেও জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যবিত্তের পকেটের চাপ কমাতে গাড়ির মাইলেজ বাড়ানো বা জ্বালানি খরচ কমিয়ে আনার বিকল্প নেই। সামান্য কিছু নিয়ম মেনে চললে এবং গাড়ির যত্ন নিলে এই সংকটকালেও সাশ্রয়ী হওয়া সম্ভব।
গাড়ির মাইলেজ ভালো পাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চাকার বাতাসের চাপ ঠিক রাখা। গাড়ির চারটি চাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ হাওয়া থাকলে রাস্তার সঙ্গে ঘর্ষণ কমে আসে, ফলে ইঞ্জিনকে বাড়তি শক্তি খরচ করতে হয় না। চাকায় হাওয়া কম থাকলে ইঞ্জিনকে বেশি জ্বালানি পুড়িয়ে গাড়ি সচল রাখতে হয়। নিয়মিত চাকার প্রেশার চেক করলে মাসে বড় অঙ্কের জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব।

গাড়ির ইঞ্জিনকে সচল ও প্রাণবন্ত রাখতে সময়মতো সার্ভিসিং করা অত্যন্ত জরুরি। ইঞ্জিন অয়েল, ব্রেক অয়েল কিংবা কুল্যান্ট ঠিকঠাক না থাকলে ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়। ইঞ্জিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এয়ার ফিল্টার। যেহেতু বাতাস ও জ্বালানির মিশ্রণেই শক্তি উৎপন্ন হয়, তাই এয়ার ফিল্টার নোংরা থাকলে বাতাসের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। সঠিক সময়ে এয়ার ফিল্টার বদলে ফেললে মাইলেজ যেমন বাড়ে, তেমনি গাড়ির আয়ুও বৃদ্ধি পায়।
আরও পড়ুন: গাড়ির মাইলেজ বাড়ানোর সহজ কৌশল
অতিরিক্ত ওজন বহন করা গাড়ির মাইলেজ কমিয়ে দেওয়ার অন্যতম বড় কারণ। অনেকে অপ্রয়োজনীয় অনেক কিছু গাড়িতে সব সময় বহন করেন। ওজন যত বেশি হবে, ইঞ্জিনকে গাড়ি টানতে তত বেশি জ্বালানি খরচ করতে হবে। এছাড়া নিয়মিত হুইল অ্যালাইনমেন্ট পরীক্ষা করা জরুরি। রাস্তার অবস্থা খারাপ থাকলে বা কোনো দুর্ঘটনায় চাকার ভারসাম্য নষ্ট হলে ইঞ্জিনের ওপর চাপ বাড়ে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে মাইলেজে। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে তেল সাশ্রয় করে পকেটের ওপর চাপ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
এজেড