গাড়ি কেনার সময় যে মাইলেজের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় রাস্তায় গাড়ি নামলে তা অনেকটা যে কমে যায়, একথা সকলেরই জানা। কিন্তু কয়েকটা সহজ উপায় মেনে চললে যে কোন গাড়িতে আগের থেকে বেশ কিছুটা বেশি মাইলেজ পাওয়া সম্ভব। জানুন কীভাবে গাড়ির মাইলেজ বাড়াবেন।
ড্রাইভিংয়ের নিয়ম
গাড়ি চালানোর সময় এক্সেলারেশন না করলে খুব বেশি জ্বালানি পোড়ে না। তাই ক্রমাগত গাড়ির গতিবেগ না বাড়িয়ে একই গতিতে গাড়ি চালানোর চেষ্টা করুন। এছাড়াও খুব প্রয়োজন ছাড়া অকারণে ব্রেক ব্যবহার করবেন না। ব্রেক ব্যবহারের কারণে জ্বালানি খরচ অনেকটা বেড়ে যায়। গাড়ি চালানোর সময় এই বিষয়গুরো মাথায় রাখুন।
বিজ্ঞাপন
এসি বন্ধ রাখুন
গাড়ির এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ করে দিলে ৩০ শতাংশ বেশি মাইলেজ পাওয়া সম্ভব। এসি চালিয়ে ফুল ট্যাঙ্ক জ্বালানিতে ৫০০ কিলোমিটার পথ গেলে এসি ছাড়া একই পরিমাণ জ্বালানি পুড়িয়ে ৬০০-৬২৫ কিলোমিটার যেতে পারবেন। এসি ছাড়া যাত্রা আরামদায়ক না হলেও সাশ্রয় হবে নিঃসন্দেহে।
টায়ার প্রেশার
প্রত্যেক গাড়ির টায়ারের পাশে সঠিক হাওয়ার চাপ লেখা থাকে। সেই নির্দেশ মেনেই গাড়ির চাকায় হাওয়া দিন। হাওয়া কমে গেলে মাইলেজে প্রভাব পড়বে।
বিজ্ঞাপন
সঠিক গিয়ার পরিবর্তন
গাড়িতে ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন থাকলে সঠিক সময়ে গিয়ার পরিবর্তনের অভ্যাস করতে হবে। এই ভাবে কিছুটা মাইলেজ বাড়িয়ে নিতে। পারবেন।
জানালা বন্ধ রাখুন
জানলা খুলে গাড়ি চালালে বাতাসের ধাক্কায় মাইলেজ অনেকটা কমে যায়। ভালো মাইলেজ পেতে গাড়ি চালানোর সময় জানালা তুলে দিন। এসি না চালিয়ে ব্লোয়ার ব্যবহার করুন। কেবিনের হাওয়া কেবিনের মধ্যেই ফ্যানের মাধ্যমে ঘুরিয়ে দিন।
রুট প্ল্যান
বাড়ি থেকে বেরনোর আগে রুট প্ল্যান করুন। সঠিকভাবে রুট প্ল্যান করলে কিছুটা জ্বালানি সাশ্রয় করতে পারবেন।
গাড়ি থামাবেন না
চেষ্টা করুন গাড়ি না থামাতে। এমন ভাবে গাড়ির গতি কমান যেন গাড়ি থামাতে না হয়। এছাড়াও ৪৫ সেকেন্ডের বেশি সময় গাড়ি থেকে থাকলে ইঞ্জিন বন্ধ করে দিন।
সার্ভিস
সঠিক সময়ে গাড়ি সার্ভিস করলে মাইলেজ কিছুটা বেড়ে যাবে। অনেক সময় সার্ভিস না হওয়ার কারণে মাইলেজ কমে যায়।
সকালে জ্বালানি ভরুন
সকালে তেল ভরলে ঠাণ্ডা আবহাওয়ার জন্য পেট্রল-ডিজেলের ঘনত্ব বেশি থাকে। যা আপনার মাইলেজে প্রভাব ফেলবে।
এজেড




