images

অটোমোবাইল

১২৫ সিসি থেকে ২৫০ সিসি রেঞ্জে নতুন পালসার আনছে বাজাজ

অটোমোবাইল ডেস্ক

১০ মে ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম

ভারতের জনপ্রিয় মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড 'পালসার'-এর ওপর ভর করে প্রিমিয়াম সেগমেন্টে নিজেদের আধিপত্য আরও বাড়াতে চাইছে বাজাজ অটো। ২০২৭ অর্থ বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ১২৫ সিসি থেকে ২৫০ সিসি রেঞ্জের মধ্যে একাধিক নতুন পালসার বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। মূলত ভারতে উৎসবের মৌসুমের বাড়তি চাহিদাকে কাজে লাগাতেই এই প্রস্তুতি।

বাজাজ অটোর নির্বাহী পরিচালক রাকেশ শর্মা সম্প্রতি কোম্পানির চতুর্থ প্রান্তিকের আয় সংক্রান্ত আলোচনায় জানান, ১২৫ সিসি এবং ১৫০ সিসি থেকে ২৫০ সিসি সেগমেন্টে তারা নতুন মোটরসাইকেল নিয়ে আসছেন। দেশটিতে উৎসবের আমেজ শুরু হওয়ার আগেই অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে এগুলো বাজারে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজারের ঝোঁক প্রিমিয়াম বাইকের দিকে

সিয়াম (SIAM)-এর তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থ বছরে ভারতের বাজারে ১৫০-২০০ সিসি সেগমেন্টটি সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বেড়েছে। এই সেগমেন্টে বাজাজের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬১.৫ শতাংশ, যা বাজারের গড় প্রবৃদ্ধির চেয়ে অনেক বেশি। অন্যদিকে ২০০-২৫০ সিসি সেগমেন্টের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬৬.৯ শতাংশ। বাজাজ বর্তমানে ২০০-২৫০ সিসি সেগমেন্টে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

বিগত অক্টোবর ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে বাজাজ তাদের পালসার এন (N) এবং এনএস (NS) সিরিজে প্রায় ৮ থেকে ১০টি নতুন ভ্যারিয়েন্ট ও আপডেট যুক্ত করেছে। বর্তমানে ১৫০ সিসি-র ওপরের সেগমেন্টে বাজাজের মোট বিক্রির অর্ধেকের বেশি আসছে এই নতুন মডেলগুলো থেকে।

08may-bajaj-pulsar

চ্যালেঞ্জ ও রফতানি পরিস্থিতি

রাকেশ শর্মা বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, এপ্রিল ২০২৬ থেকে বাজারে কিছুটা স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং কাঁচামালের দাম বাড়ার ফলে মোটরসাইকেল শিল্পের প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমতে পারে। কাঁচামালের দাম ৩-৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ১ এপ্রিল থেকে বাজাজ তাদের বাইকের দামও বাড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার আগে যে ৫টি বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন

তবে অভ্যন্তরীণ বাজারে কিছুটা চাপ থাকলেও রফতানি খাতে বাজাজ অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। গত অর্থ বছরে তারা ২.২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড রফতানি আয় করেছে। আমেরিকার দেশগুলোতে পালসার ব্র্যান্ডের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের মোট মোটরসাইকেল রফতানির প্রায় ৫৫ শতাংশই এখন বাজাজের দখলে।

ক্রেতাদের ক্রমবর্ধমান প্রিমিয়াম ফিচারের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে বাজাজ তাদের এই লঞ্চ ক্যালেন্ডার সাজিয়েছে, যা আসন্ন উৎসবের মৌসুমে গ্রাহকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এজেড