টেকসই কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার উন্নয়নে ২০২৭ সালের সম্ভাব্য যৌথ কর্মসূচি ও সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সভা করেছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় সার্ক কৃষি কেন্দ্রের কার্যালয়ে ‘২০২৭ সালের কর্মসূচি নিয়ে অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সভা’ শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি, খাদ্যব্যবস্থা, গ্রামীণ উন্নয়ন, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য, পরিবেশ ও জনসম্পৃক্ত উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি, বেসরকারি ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রসার এবং যৌথভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য কার্যকর ও টেকসই পরিবর্তন আনা সম্ভব। সার্কভুক্ত দেশগুলোর কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থাকে আরও টেকসই, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন, বাংলাদেশ, হেইফার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, হারভেস্টপ্লাস, সাসটেইনেবল অ্যাগ্রিকালচার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ, এসিআই, স্পেকট্রা হেক্সা ফিডস লিমিটেড, আরএসবি প্রপার্টিজ লিমিটেড, শিশুক, ওয়েভ ফাউন্ডেশন, গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক), ওয়েলথাঙ্গারহিলফে, টিএমএসএস, ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক সাউথ এশিয়া, ফিশটেক হ্যাচারি, রুট এগ্রোভেট, সুশীলন ও নিরিবিলি গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় ২০২৭ সালে সার্ক কৃষি কেন্দ্র ও অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সম্ভাব্য যৌথ কর্মসূচি ও সহযোগিতামূলক উদ্যোগ চিহ্নিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অগ্রাধিকার, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও চলমান কার্যক্রম তুলে ধরেন।
আলোচনায় টেকসই কৃষি, কৃষিবাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক কৃষি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য উন্নয়ন, কৃষিপণ্যের মূল্যশৃঙ্খল, গ্রামীণ জীবিকা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনা উঠে আসে।
সভায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা ২০২৭ সালে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করে বাস্তবভিত্তিক ও ফলপ্রসূ যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এর মাধ্যমে সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য আরও টেকসই, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কার্যকর অবদান রাখা সম্ভব হবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
এএইচ/এফএ




