শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

আগস্টজুড়ে অতিবৃষ্টির আভাস, রয়েছে বন্যার ঝুঁকিও

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম

শেয়ার করুন:

আগস্টজুড়ে অতিবৃষ্টির আভাস, রয়েছে বন্যার ঝুঁকিও
ভারী বৃষ্টি ও বন্যার দুটি পৃথক চিত্র। ফাইল ছবি

বিদায়ী জুলাই মাসজুড়ে সারাদেশেই কম-বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আজ (শনিবার) থেকে শুরু হওয়া আগস্ট জুড়েও দেশব্যাপী স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অর্থাৎ অতিবৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে উত্তরাঞ্চল, সিলেট এবং ময়মনসিংহে বন্যার ঝুঁকিও রয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) চলতি মাসের আবহাওয়া সম্পর্কে এমনই পূর্বাভাস জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।

সংস্থাটি আরও জানাচ্ছে, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

পূর্বাভাসে বিডব্লিউওটি জানায়, মাসের প্রথম সপ্তাহে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এ সময়ে সমুদ্র তুলনামূলক শান্ত থাকতে পারে।

দ্বিতীয় সপ্তাহে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় বঙ্গোপসাগরে একটি মৌসুমি লঘুচাপ বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত জারির প্রয়োজন হতে পারে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড় ধস এবং উত্তরাঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

মাসের তৃতীয় ও চতুর্থ সপ্তাহেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। সিলেট, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে ভারী বৃষ্টির কারণে একাধিক নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। 

মাসের শেষ সপ্তাহে দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলেও বৃষ্টির প্রবণতা বজায় থাকতে পারে। একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগস্টে বড় ধরনের কোনো ঘূর্ণিঝড় বা তাপপ্রবাহের আশঙ্কা নেই। তবে বৃষ্টির বিরতিতে আর্দ্রতাজনিত ভ্যাপসা গরম অনুভূত হতে পারে।

এছাড়া আগস্টের ১৪ তারিখে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ এবং ২৮ আগস্ট চন্দ্রগ্রহণ ঘটলেও এর কোনোটিই বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না।

এর আগে বিদায়ী জুলাই মাসজুড়ে দেশের প্রায় সব জেলাতেই কখনো মাঝারী আবার কখনো ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারসহ কয়েক জেলায় নদ-নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

এর ফলে পানবন্দি হয়ে পড়ে হাজার হাজার পরিবার। নষ্ট হয়ে যায় অসংখ্য জমির ফসল। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং নোয়াখালীতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে এবং পানিতে ডুবে শিশুসহ উল্লেখযোগ্য হারে মানুষ প্রাণ হারান।

এএইচ    

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর