সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

ওয়াইফাই রাউটার ঘরের কোথায় রাখলে বেশি স্পিড পাওয়া যায়?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০২:২৩ পিএম

শেয়ার করুন:

ওয়াইফাই রাউটার ঘরের কোথায় রাখলে বেশি স্পিড পাওয়া যায়?
ওয়াইফাই রাউটার ঘরের কোথায় রাখলে বেশি স্পিড পাওয়া যায়?

ঘরে ঘরে এখন ইন্টারনেট-সংযুক্ত স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও স্মার্ট টিভির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। একই নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইস যুক্ত থাকার কারণে অনেক সময় ইন্টারনেটের গতি মারাত্মকভাবে কমে যায়, যা ভিডিও স্ট্রিমিং বা ডাউনলোডের সময় বড় বিড়ম্বনা তৈরি করে। তবে প্রতিবার টেকনিশিয়ান ডাকার প্রয়োজন নেই; সামান্য কিছু নিয়ম মেনে চললেই ঘরের ওয়াইফাইয়ের গতি অনেকটাই বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব—

রাউটারের সঠিক অবস্থান: ওয়াইফাই সিগন্যালের ওপর রাউটার কোথায় রাখা হয়েছে তার প্রভাব সরাসরি পড়ে। সিগন্যাল যেন বাড়ির সব ঘরে সমানভাবে পৌঁছাতে পারে, সেজন্য বাড়ির মাঝামাঝি কোনো খোলা জায়গায় রাউটার রাখুন। ভুলেও দেওয়াল, আলমারি বা কোনো বন্ধ ঘরের ভেতরে কিংবা মাইক্রোওয়েভের মতো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের কাছাকাছি রাউটার রাখবেন না, এতে ওয়্যারলেস সিগন্যাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ডুয়াল-ব্যান্ড নেটওয়ার্কের সঠিক ব্যবহার: আপনার রাউটার ডুয়াল-ব্যান্ড সাপোর্ট করলে ২.৪ গিগাহার্জ এবং ৫ গিগাহার্জ—দুটি নেটওয়ার্কই কাজে লাগাতে পারেন। ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ডে বেশি গতি পাওয়া যায়, যা ভিডিও কল, ফোর-কে (4K) স্ট্রিমিং ও গেমিংয়ের জন্য উপযুক্ত। অন্যদিকে, ২.৪ গিগাহার্জ নেটওয়ার্কের রেঞ্জ বেশি হওয়ায় রাউটার থেকে দূরে থাকা ডিভাইসের জন্য এটি ভালো কাজ করে।

আরও পড়ুন: স্মার্টফোন পরিষ্কার করার সময় যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন

নিয়মিত রিস্টার্ট ও ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: একটানা দীর্ঘদিন চলার কারণে রাউটার গরম হয়ে এর কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে রাউটার বন্ধ করে কয়েক মিনিট পর আবার চালু করা উপকারী। এছাড়া রাউটারের অ্যাপ বা সেটিংসে চেক করে অপ্রয়োজনীয় বা অব্যবহৃত ডিভাইসগুলো ডিসকানেক্ট করে দিন, এতে নেটওয়ার্কের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমে যাবে।

পুরোনো রাউটার পরিবর্তন: রাউটারটি যদি বেশ কয়েক বছর পুরোনো হয়, তবে শুধু সেটিংস বদলিয়ে সবসময় ভালো ফল পাওয়া যায় না। পুরোনো মডেলগুলো আধুনিক ওয়াইফাই স্ট্যান্ডার্ড ও একসঙ্গে অনেক ডিভাইস ঠিকমতো সামলাতে পারে না। তাই প্রয়োজনে দ্রুতগতির নতুন রাউটার ব্যবহার করা এবং তাতেও সমস্যা না মিটলে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের (ISP) সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।

সঠিক স্থানে রাউটার স্থাপন এবং ছোট কিছু বিষয়ে সচেতন হলেই ইন্টারনেটের ধীরগতির সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

এজেড

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর