খাবার বা ওষুধের মতো সিম কার্ডে স্পষ্টভাবে কোনও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ থাকে না। তবে তার মানে এই নয় যে এটি চিরকাল নিখুঁতভাবে কাজ করবে। একটি সিম কার্ড কতদিন ঠিকমতো কাজ করতে পারে, পুরোনো সিম নেটওয়ার্কের সমস্যা তৈরি করতে পারে কিনা এবং ৫জি ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সিম বদলানো জরুরি কিনা—এসব প্রশ্নই সাধারণত দীর্ঘদিন একই সিম ব্যবহারকারীদের মনে জাগে।
অনেকেই বছরের পর বছর ধরে একই সিম কার্ড ব্যবহার করে যান। প্রযুক্তিগতভাবে সিম কার্ডের নির্দিষ্ট কোনো আয়ুষ্কাল বা তারিখ না থাকলেও, দীর্ঘ ব্যবহার এবং বাহ্যিক ক্ষয়ের কারণে এর কার্যক্ষমতা প্রভাবিত হতে পারে। বারবার সিম খোলা ও লাগানোর ফলে এর কিনারা ক্ষয়ে যাওয়া এবং ধাতব সংযোগস্থলে আঁচড় পড়ার আশঙ্কা থাকে।

এছাড়া সিম বা সিম ট্রে-র ভেতরে ধুলো, আর্দ্রতা ও ময়লা জমে সংযোগ বা নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
আরও পড়ুন: সিম কার্ড কী? কীভাবে কাজ করে এই প্রযুক্তি?
সিম কার্ডের সূক্ষ্ম ধাতব সংযোগ বিন্দুগুলো ফোনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। এই বিন্দুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত বা নোংরা হলে হ্যান্ডসেট সিম পড়তে সমস্যা করে। সিম ও সিম স্লট যত্নসহকারে পরিষ্কার করেও সমাধান না মিললে সিম পরিবর্তন করাই শ্রেয়।

আপনার সিমটি বেশ কয়েক বছরের পুরনো হলে এবং বারবার সংযোগে সমস্যা দেখা দিলে এটি বদলানোর কথা ভাবা যেতে পারে। টেলিকম অপারেটরের অনুমোদিত আউটলেটে গিয়ে বর্তমান মোবাইল নম্বর অপরিবর্তিত রেখেই নতুন সিম সংগ্রহ করা সম্ভব। তাই প্রচলিত কোনো মেয়াদ শেষের তারিখ না থাকলেও, পুরোনো বা ক্ষতিগ্রস্ত সিমের কারণে সংযোগে সমস্যা দেখা দিলে তা বদলে ফেলা জরুরি।
এজেড




