রোববার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

স্মার্টফোন ব্যবহার করতে গিয়ে আপনিও কি এই ৭টি ভুল করছেন?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম

শেয়ার করুন:

স্মার্টফোন ব্যবহার করতে গিয়ে আপনিও কি এই ৭টি ভুল করছেন?
স্মার্টফোন ব্যবহার করতে গিয়ে আপনিও কি এই ৭টি ভুল করছেন?

বর্তমান যুগে স্মার্টফোন ছাড়া আমাদের একদিনও চলা প্রায় অসম্ভব। যোগাযোগ থেকে শুরু করে ব্যাংকিং লেনদেন কিংবা অফিসের কাজ—সবকিছুই এখন এই ছোট ডিভাইসের ওপর নির্ভরশীল। তবে আমরা অজান্তেই স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এমন কিছু ভুল করি, যা ডিভাইসটির আয়ু কমিয়ে দেয় এবং আমাদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে। আপনার শখের ফোনটি দ্রুত নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে এবং সাইবার আক্রমণ থেকে দূরে থাকতে এখনই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

স্মার্টফোন ব্যবহারে যে ৭টি ভুল আমরা প্রায়শই করে থাকি:

১. ভুল চার্জার ব্যবহার করা
 
অনেকেই মনে করেন যে চার্জারটি ফোনের পোর্টে ফিট হচ্ছে, সেটি দিয়েই চার্জ দেওয়া সম্ভব। কিন্তু এটি একটি মারাত্মক ভুল ধারণা। সবসময় ফোনের সঙ্গে আসা অরিজিনাল বা সার্টিফাইড ব্র্যান্ডের চার্জার ব্যবহার করা উচিত। সস্তা বা নকল চার্জার ব্যবহারে ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শর্ট সার্কিট বা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি থাকে।

২. অনিরাপদ সোর্স থেকে অ্যাপ ডাউনলোড

গুগল প্লে-স্টোর বা অফিশিয়াল সোর্স বাদে অন্য কোনো থার্ড পার্টি সাইট থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করা একদমই উচিত নয়। এসব আন-অফিশিয়াল অ্যাপে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস থাকতে পারে, যা আপনার ফোনের ক্যামেরা ও মাইক্রোফোনের অ্যাক্সেস নিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য ও পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিতে পারে।

৩. ওএস ও সিকিউরিটি আপডেট অবহেলা করা 


বিজ্ঞাপন


মোবাইল ব্র্যান্ডগুলো নিয়মিত অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ও সিকিউরিটি আপডেট দিয়ে থাকে। এই আপডেটগুলো শুধু ফোনের ডিজাইন পরিবর্তন করে না, বরং নতুন ধরনের সাইবার আক্রমণ থেকে ফোনকে সুরক্ষা দেয়। আপডেট রিকোয়েস্ট পেলে তা এড়িয়ে না গিয়ে দ্রুত সম্পন্ন করা জরুরি।

charging

৪. পুরনো বা আউটডেটেড অ্যাপ চালানো 

অনেকে নির্দিষ্ট অ্যাপের আপডেট নোটিফিকেশন দেখেও তা উপেক্ষা করেন। অথচ পুরনো অ্যাপে বাগ বা ত্রুটি থাকতে পারে, যা ফোনের গতি কমিয়ে দেয়। নিয়মিত অ্যাপ আপডেট করলে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ভালো হওয়ার পাশাপাশি ম্যালওয়্যার হানা দেওয়ার পথ বন্ধ হয়।

৫. পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহারে অসতর্কতা

বিনামূল্যে পাওয়া যায় বলে যেখানে-সেখানে পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হ্যাকাররা এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সহজেই আপনার আদান-প্রদান করা তথ্য চুরি করতে পারে। একান্ত প্রয়োজনে পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই ভিপিএন (VPN) অন রাখা উচিত।

৬. মানহীন ব্যাক কভার ব্যবহার

ফোনের ব্যাক কভার কেবল সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য নয়, বরং ফোনকে আচমকা পড়ে যাওয়া বা ঘর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। সাধারণ প্লাস্টিক বা হার্ড কভারের চেয়ে সিলিকন ব্যাক কভার অনেক বেশি টেকসই এবং সুরক্ষাদায়ক হয়। তাই কভার কেনার সময় ডিজাইনের চেয়ে এর স্থায়িত্বের দিকে গুরুত্ব দিন।

আরও পড়ুন: মোবাইলে নেটওয়ার্ক না থাকলে ওয়াইফাই কলিং ফিচার দিয়ে কল করার উপায়

৭. জেলব্রেক বা রুট করা 

ফোনের কাস্টম স্কিন বা লুক পরিবর্তন করার জন্য অনেক ব্যবহারকারী ফোন ‘জেলব্রেক’ বা ‘রুট’ করেন। যদিও এটি অবৈধ নয়, তবে এর ফলে ডিভাইসের স্টক সিকিউরিটি নষ্ট হয়ে যায়। কাস্টম রমের (ROM) মাধ্যমে সিস্টেমের গভীর অ্যাক্সেস পাওয়া গেলেও তা আপনার ডেটা সুরক্ষাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।

এজেড

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর