রোববার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

অশ্লীল কনটেন্ট সরবরাহের দায়ে কাঠগড়ায় ইলন মাস্কের ‘গ্রোক’!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০২ পিএম

শেয়ার করুন:

অশ্লীল কনটেন্ট সরবরাহের দায়ে কাঠগড়ায় ইলন মাস্কের ‘গ্রোক’!
অশ্লীল কনটেন্ট সরবরাহের দায়ে কাঠগড়ায় ইলন মাস্কের ‘গ্রোক’!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম  এক্স’র (সাবেক টুইটার) নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট ‘গ্রোক’ (Grok)। যার মালিক ধনকুবের ইলন মাস্ক। ইন্টারনেট ভিত্তিক এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অশ্লীল ও যৌন উস্কানিমূলক বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে ভারতের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই ধরনের কনটেন্টের অপব্যবহার রোধে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে ইলন মাস্কের সংস্থা যে জবাব দিয়েছে, তা ‘সন্তোষজনক নয়’ বলে মনে করছে সরকার।


বিজ্ঞাপন


জেমিনি বা চ্যাটজিপিটির চেয়ে আলাদা গ্রোকের নীতি

বাজারে প্রচলিত জনপ্রিয় এআই চ্যাটবট যেমন গুগলের ‘জেমিনি’ বা ওপেন এআই-এর ‘চ্যাটজিপিটি’ সেন্সর কনটেন্ট বা সংবেদনশীল বিষয়বস্তু প্রচারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। এই চ্যাটবটগুলো সাধারণত নীতিবিরুদ্ধ বা অশ্লীল কোনো অনুরোধের উত্তর দেয় না। তবে ইলন মাস্কের ‘গ্রোক’ এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। 

grok

গ্রোকের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটি ‘সেন্সরবিহীন’ তথ্য প্রদানে বিশ্বাসী। এমনকি গ্রোক অ্যাপে একটি বিশেষ ‘১৮ প্লাস’ (18+) ফিচার রয়েছে, যা ব্যবহারকারী চাইলে প্রাপ্তবয়স্কদের উপযোগী বা অ্যাডাল্ট কনটেন্ট সরবরাহ করতে পারে। অন্য কোনো মূলধারার এআই চ্যাটবটে এমন খোলামেলা ফিচার নেই।


বিজ্ঞাপন


এক্স-এর জবাবে সন্তুষ্ট নয় ভারত সরকার

সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, ভারত সরকারের প্রশ্নের জবাবে এক্স দাবি করেছে যে তারা ভারতের আইন ও নীতিকে সম্মান করে এবং বিতর্কিত বিষয়বস্তু সরাতে তাদের কঠোর নীতি রয়েছে। 

ভারতের বিশাল বাজারের গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। তবে সরকার মনে করছে, মাস্কের সংস্থার জবাবে অশ্লীল বিষয়বস্তু শনাক্ত ও ভবিষ্যতে তা আটকানোর সুনির্দিষ্ট কোনো রোডম্যাপ নেই। বিশেষ করে ‘১৮ প্লাস’ ফিচারের মাধ্যমে যেভাবে যৌন উস্কানিমূলক কনটেন্ট পাওয়ার সুযোগ থাকছে, তা নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি।

2193208237

কঠোর নির্দেশের পথে সরকার ভারত

ইলন মাস্কের সংস্থাকে অবিলম্বে অশ্লীল বিষয়বস্তু সরানোর তালিকা এবং এআই-এর মাধ্যমে ছড়ানো যৌন হয়রানি সম্পর্কিত কনটেন্ট বন্ধে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভারতের প্রেক্ষাপটে এআই-এর অপব্যবহার রোধে সরকার যে কোনো ছাড় দেবে না, এই পদক্ষেপ তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এজেড

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর