পেলে আর নেই, তবে রয়ে গেছে তার সুদীর্ঘ সাফল্যের তালিকা। যে সাফল্যগাথা আজীবন লেখা থাকবে বিশ্ব ফুটবলের সোনালী ডায়েরিতে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসের জার্সিতে ফুটবল মাঠে আসা পেলের।
এরপর থেকেই একের পর এক সাফল্যে তাকে পরিপূর্ন করে তোলে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার পায়ের জাদুতে মুগ্ধ হতে থাকে পুরো ফুটবল বিশ্ব। ক্লাব থেকে আন্তর্জাতিক ফুটবল, সর্বত্রই নিজ গুনে দ্যুতি ছড়িয়ে ক্যারিয়ারকে করেছিলেন সমৃদ্ধ।
ফুটবলের সমৃদ্ধ ক্যারিয়ারে গোল করার পাশাপাশি গোলবার রক্ষার দায়িত্বটাও পালন করতেন পেলে। ‘কালো মানিক’ এর সতীর্থরা জানান, দলের বিকল্প গোলরক্ষক ছিলেন পেলে। ক্লাব ফুটবল, জাতীয় দল দুই জায়গাতেই গোলপোস্ট রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে ফুটবল সম্রাটকে।
আরও পড়ুন- যে কারণে আল নাসেরে যোগ দিলেন রোনালদো
আন্তর্জাতিক ও ক্লাব পর্যায়ের খেলায় গোলরক্ষকের ভূমিকা পালন করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন পেলে। একটা সময় সেলেসাও দলে একমাত্র গোলরক্ষক থাকার রহস্যের মূলেও ছিলেন এই ফুটবল কিংবদন্তি। ব্যাপারটা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল, সে সময় ধরে নেয়া হতো গোলরক্ষকের কিছু হলে তার জায়গায় দায়িত্ব নিবেন পেলে। তাই সাবেক ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক লালা বলেছিলেন, ‘পেলে ব্রাজিলের এক নম্বর গোলরক্ষক হতে পারতেন।’

ব্রাজিলের জার্সি গায়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সে অভিষেক হয়েছিল পেলের। এরপর প্রায় দুই দশক ধরে তিনি মাঠ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন আপন রঙে। ক্লাব ক্যারিয়ারে বেশিরভাগ সময় কেটেছে ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব সান্তোসে এফসিতে। যে ক্লাবের হয়ে নিজের নামের পাশে যোগ করেছেন ছয়শর বেশি গোল। তাছাড়াও মাত্র ১৭ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতেন এই ফুটবল সম্রাট। ১৯৫৮ বিশ্বকাপের সেমিতে হ্যাটট্রিক ও ফাইনালে জোড়া গোল করে শিরোপা উঁচু করে ধরেন পেলে।
এফএইচ




