গত আসরে প্রথম শিরোপা জেতা রয়ের চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু চলতি আসরেও অপ্রতিরোধ্য। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর মাত্র এক কদম দূরে কোহলির দল। প্রথম কোয়ালিফায়ারে রজত পাতিদারের তাণ্ডবে রানের পাহাড় গড়ে বেঙ্গালুরু। সেই রান পাহাড় তাড়া করতে গিয়ে চাপা পড়ে গুজরাট টাইটান্স।
মঙ্গলবার রাতে ধর্মশালায় বেঙ্গালুরু জিতেছে ৯২ রানের বিশাল ব্যবধানে। আগে ব্যাট করে পাতিদারের ৩৩ বলে ৯৩, কোহলির ২৫ বলে ৪৩ রানে ভর করে ২৫৪ রান করে বেঙ্গালুরুর। জবাবে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া গুজরাট টেনেটুনে করতে পারে ১৬২ রান।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে আরসিবিকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন কোহলি ও ভেঙ্কেটেশ আইয়ার। পরে তাতে যোগ দেন দেবদূত পাডিক্কাল। কোহলি ২৫ বলে ৪৩ এবং পাডিক্কাল ১৯ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন। মিডল অর্ডারে ক্রুনাল পান্ডিয়া ২৮ বলে ৪৩ রানের একটি কার্যকর ইনিংস খেলে দলের রানের গতি সচল রাখেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেন ৭৬ রান।
তবে ম্যাচের মূল আকর্ষণ ছিল পাতিদারের টর্নেডো ব্যাটিং। ইনিংসের শুরুতে দুইবার জীবন পেয়ে গুজরাটের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান আরসিবি অধিনায়ক। মাত্র ৩৩ বলে ৫টি চার ও ৯টি বিশাল ছক্কার সাহায্যে ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষ দিকে জিতেশ শর্মার (৫ বলে ১৫) ক্যামিও ইনিংসে ভর করে শেষ ৬ ওভারেই ১১৪ রান তোলে বেঙ্গালুরু।
২৫৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুজরাটের শুরুটা মন্দ ছিল না। জ্যাকব ডাফির প্রথম ওভারেই তিনটি চার মেরে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেন সাই সুদর্শন। তবে সেই আনন্দ স্থায়ী হয়নি। একটু পরেই ১৪ রান করে অদ্ভুতভাবে হিট-উইকেট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। আর এখান থেকেই শুরু হয় গুজরাটের ব্যাটিং ধস।
বিজ্ঞাপন
ভুবনেশ্বর কুমার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন গুজরাট অধিনায়ক শুভমন গিলকে (২)। বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই জস বাটলারকে (১১ বলে ২৯) প্যাভিলিয়নের পথ দেখান জশ হ্যাজলউড।
এরপর বল হাতে তোপ দাগেন রসিখ সালাম। তিনি প্রথমে নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে নিশান্ত সিন্ধুকে বিদায় করেন এবং পরের ওভারেই জেসন হোল্ডারকে শূন্য রানে আউট করেন। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষ হতেই ৫১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় গুজরাট।
শীর্ষ সারির ব্যাটাররা দ্রুত বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে একাকি লড়াই চালিয়ে যান বাঁহাতি ব্যাটার রাহুল তেওয়াতিয়া। ৮টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৪৩ বলে ৬৮ রানের ইনিংসে হারের ব্যবধান কমান তিনি।
এআরএম




