- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বোলিংয়ে পাকিস্তান
- ‘বাংলাদেশের নির্বাচনের পর ইউটার্ন নেবে পাকিস্তান’
- ভারত ম্যাচ বর্জনে অনড় পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার অনুরোধও উপেক্ষিত
- বিশ্বকাপ বয়কট করে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ঠিক কাজই করেছে
টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটকে দেড় বছর আগেই বিদায় বলেছেন সাকিব আল হাসান। ফলে এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের জার্সিতে আর দেখা যাবে না তাকে। আজ থেকে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১০ম আসর। বয়কটের কারণে এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ, নেই সাকিবও। তবে মাঠে না থাকলেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ডের মালিক হয়ে আছেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার।
২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আসর থেকেই শুরু সাকিবের যাত্রা। সেই আসরসহ পরবর্তী আরও আটটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ, আর প্রতিবারই দলের স্কোয়াডে ছিলেন সাকিব আল হাসান।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিব খেলেছেন মোট ৪৩টি ম্যাচ। এই ম্যাচগুলোতে তিনি বোলিং করেছেন ৮৭৯টি বল এবং শিকার করেছেন ৫০টি উইকেট। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড। তার সেরা বোলিং ফিগার ৯ রানে ৪ উইকেট। এই টুর্নামেন্টে তার বোলিং ইকোনমি ৬.৮৬ এবং স্ট্রাইক রেট ১৭.৫৮।
উইকেটের সংখ্যায় সাকিবের কাছাকাছি কেউই নেই। দ্বিতীয় স্থানে আছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি, যিনি ক্যারিয়ারজুড়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিয়েছেন ৩৯টি উইকেট। ৩৮ উইকেট নিয়ে তার পরেই আছেন শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা। দুজনই বহু আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
৩৭ উইকেট নিয়ে তালিকার পরের নাম শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, যিনি বর্তমানে আর এই ফরম্যাটে দেশের হয়ে খেলেন না। এবারের বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের হয়ে খেলতে যাচ্ছেন রশিদ খান। ২৩ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৩৭ উইকেট। সাকিবের রেকর্ড ভাঙার সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য প্রার্থী তিনিই। এ ছাড়া ৩৬ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার অ্যাডাম জাম্পাও রয়েছেন সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিদের তালিকায়।
বাংলাদেশ বা সাকিব কেউই এবারের বিশ্বকাপে নেই, কিন্তু ইতিহাসের পাতায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হিসেবে সাকিব আল হাসানের নাম এখনো অটুট।
এসটি

