সৌদি বাদশাহ সালমানের বিশেষ ওমরা ও জিয়ারত কর্মসূচির চতুর্থ ও শেষ দলের অতিথিরা মদিনায় পৌঁছেছেন। বাংলাদেশসহ ২১টি দেশের ২৫০ জন নারী-পুরুষ ওমরাযাত্রী এই দলে রয়েছেন। মদিনায় পৌঁছে সৌদি আরবের উষ্ণ অভ্যর্থনা, আতিথেয়তা ও সার্বিক সেবার প্রশংসা করেছেন অতিথিরা।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক, দাওয়াহ ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো অতিথিদের নিজ নিজ দেশ থেকে যাত্রা শুরু করা থেকে সৌদি আরবে পৌঁছানো পর্যন্ত তাঁদের যাত্রা ও অভ্যর্থনার ব্যবস্থা সমন্বয় করেছে। মদিনায় পৌঁছানোর পর তাঁদের আবাসস্থলে নেওয়া এবং সফরের বিভিন্ন ধাপ সহজ করতে প্রয়োজনীয় সেবা ও সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনের সুযোগ পাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি
অতিথিরা সৌদি আরবে উষ্ণ অভ্যর্থনা, উন্নত আতিথেয়তা ও ধারাবাহিক যত্নের প্রশংসা করেছেন। এসব ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো, অতিথিরা যেন স্বাচ্ছন্দ্য ও প্রশান্তির সঙ্গে ওমরার আনুষ্ঠানিকতা পালন এবং নির্ধারিত জিয়ারত সম্পন্ন করতে পারেন।

চতুর্থ দলে বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান, তুরস্ক, জর্জিয়া, রাশিয়া, ভুটান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভানুয়াতু, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ও ফিজি।
এই দলের আগমনের মধ্য দিয়ে চলতি বছরের কর্মসূচির আওতায় অতিথিদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ বছর বাদশাহ সালমানের ব্যক্তিগত ব্যয়ে বিশ্বের ৬৫টি দেশের মোট এক হাজার ওমরাযাত্রীকে আতিথেয়তা দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
কর্মসূচির আওতায় অতিথিরা মদিনায় মসজিদে নববী ও বিভিন্ন ইসলামি-ঐতিহাসিক স্থান জিয়ারত করবেন। এরপর তাঁরা মক্কায় গিয়ে ওমরা পালন করবেন। সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক, দাওয়াহ ও নির্দেশনা মন্ত্রী শেখ ড. আবদুল লতিফ বিন আবদুল আজিজ আল-শেখ কর্মসূচিটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন। অতিথিদের সৌদি আরবে আগমন থেকে নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়া পর্যন্ত সেবার বিভিন্ন ধাপ তিনি পর্যবেক্ষণ করছেন।
তথ্যসূত্র: সৌদি প্রেস এজেন্সি




