কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক মিজানুর রহমান আজহারীর ভুয়া ভিডিও তৈরি করে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার দুই আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ মে) পল্টন থানার সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- মো. আবদুর রহমান মানিক ওরফে রাহাত এবং ফুরকান মিয়া। অভিযোগ অনুযায়ী, এই চক্রটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আজহারীর ছবি ও কণ্ঠস্বর হুবহু নকল করে এবং ‘ডিপফেক’ ভিডিওর মাধ্যমে বিভিন্ন ভুয়া পণ্য ও ভুয়া ওষুধের প্রচারণা চালিয়ে আসছিল।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: আজহারী-জারাদের কণ্ঠ নকল করে যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, গ্রেফতার ১০
মিজানুর রহমান আজহারী তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘এক এক করে সবাই শনাক্ত হচ্ছে। ডিজিটাল প্রতারণার প্রতিটি পদচিহ্নই নজরদারিতে আছে। এসব বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি জানান, অনলাইন প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় রয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সামনে আরও ‘সাঁড়াশি অভিযান’ চালানো হবে।
ভক্ত ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে আজহারী বলেন, তাঁর নাম, পদবি ও কণ্ঠস্বর ক্লোন করে ভুয়া পণ্য ও চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ‘হাসানাহ ফাউন্ডেশন’ বা তাঁর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ওষুধ বা বাণিজ্যিক পণ্যের প্রচারণা করা হয় না বলে তিনি স্পষ্ট করেন। যেকোনো বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে অফিশিয়াল সোর্স থেকে তথ্য যাচাই করারও আহ্বান জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, এর আগে একই ধরনের অভিযোগে গত ৫ মে আরও ১০ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




