বিশ্বব্যাপী চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতিকে আল্লাহর আযাব-গজবের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে ইসলামী সমাজের আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, ক্ষমতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে মানুষ দলে-উপদলে বিভক্ত হয়ে সংঘাত-সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে।
ইরান, ফিলিস্তিন, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব বিশ্বব্যাপী সংকট সৃষ্টি করেছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিশ্ব সংঘাত, দুর্নীতি ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে ইসলামভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দেশে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জ্বালানি সংকট, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ নানা অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের মধ্যে মানবিকতা ও নৈতিকতা কমে গিয়ে সমাজে সহিংসতা বেড়ে চলেছে। তার মতে, আল কুরআনবিরোধী সংবিধান ও মানুষের তৈরি আইনই এসব সমস্যার মূল কারণ।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আল্লাহর সার্বভৌমত্ব অস্বীকার করে মানুষের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার কারণেই সমাজে শিরক ও কুফরি বিস্তার লাভ করেছে এবং এর ফলেই বিশ্বব্যাপী সংঘাত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
মানববন্ধন শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে দুই মাসব্যাপী শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে দেশব্যাপী গণসংযোগ, পথসভা, প্রচারপত্র বিতরণ ও মিছিল। এছাড়া আগামী ২৫ এপ্রিল শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি এবং ৫ মে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সমাবেশ শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে ইসলামভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়ার কথাও জানানো হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর, সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী দায়িত্বশীল আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসূফ আলী মোল্লা এবং সিলেট বিভাগের দায়িত্বশীল মো. নুরুদ্দিনসহ আরও অনেকেই।
এম/এআরএম

