ভারতের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিসিন (প্রধান শিক্ষক) ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি সাইয়েদ আরশাদ মাদানী পাঁচ দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছেন।
(২২ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১২টায় এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বিষয়টি জানিয়েছেন ঢাকার মানিক নগরের মারকাজুশ শাইখ আরশাদ আল মাদানী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ইমরানুল বারী।
বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারে খতমে বুখারি জলসায় আরশাদ মাদানীর বয়ান করার কথা রয়েছে। এছাড়াও জামিয়া মাদানিয়া বারিধারায় খতমে বুখারি মাহফিলে বয়ান করবেন তিনি।
আরও পড়ুন: তাবলিগের বিভাজন নিয়ে আরশাদ মাদানীর বক্তব্যে তোলপাড়
সেখান থেকে নারায়ণগঞ্জ ভুইগড় উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। ভুইগড় মাদ্রাসায় দুপুরের খাবার ও বিশ্রামের পর বাদ আছর সংক্ষিপ্ত নসিহত ও দোয়া করবেন। এরপর মাদানী নগর মাদ্রাসার উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে খতমে বুখারি মাহফিলে বয়ান, বাইয়াত, খাবার ও রাতযাপন করবেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: সাদ ইস্যুতে আরশাদ মাদানির বক্তব্যের পর দেওবন্দের প্রতিক্রিয়া
শনিবার গাজীপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সফর করার কথা রয়েছে তার। ২৬ জানুয়ারি রোববার তিনি এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
সায়্যিদ আরশাদ মাদানী ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামের প্রাণপুরুষ সাইয়্যেদ হুসাইন আহমদ মাদানির ছেলে ও সাইয়্যেদ আসআদ মাদানির ভাই। বর্তমানে তাকে ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী আলেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশে তার অসংখ্য ছাত্র ও ভক্ত রয়েছে।
২০২০ সালে দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিসীন ও ২০২১ সালে তিনি পঞ্চম ‘আমিরুল হিন্দ’ নির্বাচিত হন।
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতীয় মুসলমানদের সর্ববৃহৎ পুরোনো প্লাটফর্ম। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে এ সংগঠনটির জন্ম। উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ব্যাপক অবদান রয়েছে দলটির।




