নামাজে নারীর চুল ঢেকে রাখা জরুরি। তাই ওড়না এমন মোটা হওয়া আবশ্যক, যা মাথায় দিলে চুল দেখা যায় না। কিছু পাতলা ওড়না আছে, যা দিয়ে মাথা ঢাকার পরও মাথার চুল স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এ ধরণের ওড়না মাথায় দিয়ে নামাজ পড়লে নামাজ সহিহ হবে না। (আল-মাবসুত, সারাখসি: ১/৩৪; বাদায়েউস সানায়ে: ১/৫১৪; খুলাসাতুল ফতোয়া: ১/৭৩; তাবয়িনুল হাকায়েক: ১/২৫২; আল-বাহরুর রায়েক: ১/২৬৮; রদ্দুল মুহতার: ১/৪১০)
তবে, মোটা ওড়না পরিহিত অবস্থায় অসর্তকাবশত কয়েকটি চুল বের হয়ে গেলে নামাজ ভেঙে যায় না। কেননা সতরের ক্ষেত্রে মহিলাদের মাথার সব চুল এক অঙ্গ হিসেবে গণ্য। সুতরাং মাথার সব চুলের এক চতুর্থাংশ বা তার বেশি যদি তিনবার সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম’ বলার সময় পরিমাণ বের হয়ে থাকে তাহলে নামাজ ফাসেদ হবে; অন্যথায় নয়।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: নারী-পুরুষের নামাজে কি পার্থক্য আছে?
তবে, নামাজ পড়তে হবে পুরো মাথা ঢেকে পূর্ণ সতর্কতার সঙ্গে; যেন চুলের কোনো অংশ বের না হয়ে যায়। (ফতোয়ায়ে শামি: ১/৪০৯; ফাতহুল কাদির: ১/২২৬)
প্রসঙ্গত, নামাজের সময় চুল খোঁপা করে রাখা বা খুলে রাখায় কোনো বাধা নেই। কেননা নামাজে পরিপূর্ণভাবে চুল ঢেকে রাখাই হলো শরিয়তের বিধান। যেহেতু চুল খুলে রাখলে অসতর্কতাবশত কখনো তা উম্মুক্ত হতে পারে, তাই নামাজে চুল খোঁপা করে রাখাই ভালো। (শরহুল মুনইয়া: ২১২; দুররুল মুখতার: ১/৪০৫; আলমুহিতুল বুরহানি: ২/১৫; আলবাহরুর রায়েক: ১/২৭০)

