বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

মাজারে টাকা দেওয়া বিষয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০১:৫৯ পিএম

শেয়ার করুন:

মাজারে টাকা দেওয়া বিষয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

মাজারে দান-সদকা ও মানত করতে নিরুৎসাহিত করেছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে এ প্রসঙ্গে এক দর্শকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, আপনি আল্লাহকে খুশি করার জন্য গরিব মানুষকে দান করবেন। মাজারে দান করার ব্যাপারে কোরআন-হাদিসে কোনো নির্দেশনা নেই। সেখানে মানত করলেও গুনাহ হবে। এটা মানত করার কোনো জায়গা না। মানত করতে হবে সঠিক ও শুদ্ধ পদ্ধতিতে। যেভাবে নবী কারিম (স.) নির্দেশনা দিয়েছেন।’


বিজ্ঞাপন


‘দান কোথায় করতে হবে তা আল্লাহ তাআলা বলে দিয়েছেন, নিশ্চয় সদকা হচ্ছে ফকির ও মিসকিনদের জন্য এবং এতে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য, আর যাদের অন্তর আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য; (তা বণ্টন করা যায়) দাস মুক্ত করার ক্ষেত্রে, ঋণগ্রস্তদের মধ্যে, আল্লাহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদের মধ্যে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত, আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী, মহা প্রজ্ঞাময়। (সুরা তওবা ৬০)’

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, এ আট খাতের মধ্যে মাজারের কথা উল্লেখ নেই। কোরআন-হাদিসে মাজারে দান করার কোনো নির্দেশনা নেই।

এই ইসলামী আলোচক বলেন, ‘ধরে নিলাম, কবরে যিনি শায়িত আছেন তিনি অনেক নেককার ও বুজুর্গ মানুষ, আপনি টাকা দান করলে তিনি কি পাবেন? না, তিনি পাওয়া দূরের কথা, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার পরিবার বা আত্মীয়স্বজনও পান না। পাবে সেই গাঁজাখোররা। সুতরাং কোনো মুসলমান সেসব জায়গায় টাকা দিতে পারে না।’


বিজ্ঞাপন


তিনি বলেন, ‘মাজারের পাশে অনেক গরিব থাকে, আপনি তাদের দান করবেন। ইসলাম আমাদের এমনই নির্দেশনা দিয়েছে। কোনো পীর সাহেব যদি মাজারে দান করার ফতোয়া দেন, তাহলে বুঝবেন এটা তার ব্যবসা।’

আরও পড়ুন: দুর্গত অঞ্চলে আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন থাকবে আরও কয়েক মাস

মাজারকেন্দ্রিক গাঁজাখোরদের ব্যাপারে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘মাজারে যত বেশি টাকা দেবেন তত বেশি গাঁজাখোরদের গাজা কিনতে সুবিধা হবে। কারণ মাজারের আশপাশে বেশিরভাগ গাঁজাখোররাই থাকে।’

তবে, কয়েকটি মাজারের টাকা গাঁজাখোরদের হাতে যায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই যে মিরপুর ও গুলিস্তানে মাজার আছে, আমি যতটুকু জানি, যদি ভুল না হয়, এসব মাজারের টাকা সরকারিভাবে নিয়ে যাওয়া হয়। গাঁজাখোররা নিতে পারে না, কারণ তালা মারা আছে।’

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর