জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে গণপরিবহনের ভাড়া ইতোমধ্যে বেড়েছে, সামনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে গণঅধিকার পরিষদ। জনগণের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র আবু হানিফ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দলের অবস্থান জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
আবু হানিফ বলেন, গণঅধিকার পরিষদ বিএনপির সঙ্গে জোটে রয়েছে। আমরা সরকারের ইতিবাচক কাজে সহযোগিতা করব। তবে সরকার যদি কোনো ভুল করে কিংবা কোথাও সংশোধনের প্রয়োজন হয়, সেখানে আমরা সংশোধনের জন্য পরামর্শ দেব। আবার কোথাও সরকার ভুল করলে গণঅধিকার পরিষদ গঠনমূলক সমালোচনা করবে।
সম্প্রতি সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে ইতোমধ্যে পরিবহন ভাড়া বেড়েছে। এর প্রভাবে সামনের দিনে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও বাড়বে। এর ভোগান্তি পোহাতে হবে জনগণকে। সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান, জনগণের কথা চিন্তা করে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হোক।
এ সময় বিরোধী দলের চলমান আন্দোলন নিয়েও সমালোচনা করেন গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, জ্বালানি সংকটের মধ্যে বিরোধীরা লংমার্চের নামে পিকনিক করছে। তাদের এই পিকনিক করার কারণে পতিত স্বৈরাচার সুযোগ নিচ্ছে। তারা বিভিন্ন জায়গায় ককটেল ফাটাচ্ছে, বাসে আগুন দিচ্ছে।
এনসিপির এক নেতার বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে আবু হানিফ বলেন, এনসিপির এক নেতা বলছেন, তাদের দাবি মেনে না নিলে কোথাও ককটেল ফুটবে। এতে ধরে নেওয়া যায়, পতিত স্বৈরাচারের সঙ্গে তাদের যোগসাজশ রয়েছে। এনসিপির ওই নেতাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক।
তিনি আরও বলেন, আমরা বারবার বলছি, বিরোধী দলের এই আন্দোলন পতিত স্বৈরাচারের পারপাস সার্ভ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/এফএ




