গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক, তা আমরা চাই। বিষয়টি আরও সুন্দর হতে পারে, কিন্তু সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন না। আমরা মনে করি এটা স্বাধীন ভোটাধিকারের পথে বড় ধরনের অন্তরায়।
রোববার (১৬ আগস্ট) নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কনফারেন্স রুমে নির্বাচনি কর্তা ও সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন যাচাই-বাছাই শেষে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করার পরে সাংবাদিকদের ঢাকা-১৬ আসনের জামায়াত দলীয় সংসদ সদস্য আবদুল বাতেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
আবদুল বাতেন বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমেদের মনোনয়নপত্র সঠিক হিসাব অনুযায়ী পাওয়া গেছে। আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া রাষ্ট্রপতি ভোটে অংশ নেবেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নিয়ম হচ্ছে যাচাই-বাছাইয়ে প্রথমটি বৈধ ঘোষণা করা হলে দ্বিতীয়টি যাচাই-বাছাই হয় না। বৈধ হওয়া মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও প্রস্তাবক ছিলেন এনসিপির আবদুল্লাহ আল আমিন।
১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের সম্ভাবনা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুল বাতেন বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হবে না। নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করার জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছি৷ প্রায় ৩৫ বছর পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক, তা আমরা চাই। বিষয়টি আরও সুন্দর হতে পারে, কিন্তু সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন না। আমরা মনে করি এটা স্বাধীন ভোটাধিকারের পথে বড় ধরনের অন্তরায়। আমরা চাই যেকোনো মূল্যে এ ধারাটি সংশোধন করতে হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, এলডিপির মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।
এমএইচএইচ/এফএ




