ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের মধ্যে ৮৬ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত। এক্ষেত্রে বিএনপি জোটের ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৩ জন উচ্চশিক্ষিত, জামায়াত জোটের ১৩ জনের মধ্যে ৯ জন উচ্চশিক্ষিত এবং স্বতন্ত্র জোটের একজনও উচ্চশিক্ষিত।
অন্য দিকে এসব প্রার্থীর হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তাদের মধ্যে কেউ কোটিপতি, কেউ সীমিত আয়ে নির্ভরশীল। কেউ রাজনীতির অভিজ্ঞ মুখ, আবার কেউ একেবারেই নতুন। একই সঙ্গে কারও বিরুদ্ধে একাধিক মামলার ইতিহাস, আবার কেউ রয়েছেন সম্পূর্ণ মামলামুক্ত।
বিজ্ঞাপন
এক্ষেত্রে বিএনপি জোটের ৩৬ জনের মধ্যে ১৬ জন কোটিপতি, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান। আর জামায়াতরে একজন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম সম্পদের মালিক ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আক্তার।
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে ইসির প্রকাশ করা প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া যায়।
বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কে উচ্চশিক্ষিত, কার সম্পদ কত
বেগম সেলিমা রহমান: এম এ পাস করা ৮৫ বছর বয়সী বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য ১৯৯১-৯৬ ও ২০০১-২০০৬ মেয়াদে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তার নামে মামলা ছিল ৮টি, গেল বছর নির্বাহী আদেশে প্রত্যাহার হয় সব মামলা। ৩৬ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়; বাড়ি ভাড়া, শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে আসে এই অর্থ। আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে ৬ কোটি ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩৭ টাকা।
বিজ্ঞাপন
শিরীন সুলতানা: এমএসএস পাস, বয়স ৫৯ বছর। ১৯৯৬ সালেও সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তার ১০টি মামলা বিচারাধীন, আগে ৮টি মামলায় খালাস পান তিনি। তার বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। সম্পদ রয়েছে চার কোটি সাড়ে ছয় লাখ টাকার বেশি।
রাশেদা বেগম হীরা: বয়স ৬৯ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা এমফিল, মামলা ছিল একটি, ২০২৪ সালে খালাস পেয়েছেন। আয়কর রিটার্নে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ২৫ লাখ টাকার বেশি। দেড় কোটি টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন তিনি। অষ্টম ও নবম সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি।
রেহেনা আক্তার রানু: বয়স ৫৭ বছর, করেছেন এমএ। সবশেষ ২০১৮ সালের মামলায় খালাস পাস ২০২৪ সালে। অষ্টম ও নবম সংসদের সদস্য ছিলেন। প্রায় তিন কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিক।
নেওয়াজ হালিমা আরলী: ৫৭ বছর বয়সী নেওয়াজ হালিমা আরলীর পড়াশোনা এমএ। মামলা ছিল একটি, প্রত্যাহার হয়েছে ২০২৪ সালে। অষ্টম সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ছিলেন। এই আইনজীবীর বার্ষিক আয় ১৪ লাখ লাখ টাকার বেশি; সম্পদ রয়েছে দেড় কোটি টাকার।
মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন: ৬৪ বছর বয়সী মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন প্রথমবার সংসদ সদস্য হচ্ছেন। তিনি এমএ, বিএড করেছেন। ২০১১ সালের একটি মামলায় খালাস পান গত বছর। বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
বিলকিস ইসলাম: ৭০ বছর বয়সী বিলকিস ইসলাম স্নাতক পাস। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য। নেই কোনো মামলা। বার্ষিক আয় সাড়ে ৬ লাখ টাকার বেশি, আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে সাড়ে ৬৪ লাখ টাকা।
সাকিলা ফারজানা: প্রথমবার সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন সাড়ে ৪৮ বছর বয়সী সাকিলা ফারজানা, এ আইনজীবী বার এট ল’ করেছেন। দুটো মামলায় খালাস পেয়েছেন। বার্ষিক আয় সাড়ে ১৪ লাখ টাকার মতো, সম্পদ রয়েছে ৯৪ লাখ টাকার।
হেলেন জেরিন খান: ৫৭ বছর বয়সী হেলেন জেরিন খান অষ্টম সংসদের নারী আসনের সদস্য ছিলেন। এম এ ও এলএলবি পাস করা এ রাজনীতিকের ১১টি মামলা ছিল, সবকটি থেকে অব্যাহতি পান তিনি। বার্ষিক আয় ৩৭ লাখ টাকার বেশি, আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে ৬ কোটি টাকার বেশি।
নিলোফার চৌধুরী মনি: ৫৬ বছর বয়সী নিলোফার চৌধুরী মনি নবম সংসদের নারী আসনের সদস্য ছিলেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস করেছেন, পেশায় আইনজীবী। কখনো মামলার মুখোমুখি হননি। বার্ষিক আয় ৫ লাখ টাকা আর ৪৪ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে।
নিপুণ রায় চৌধুরী: ৩৯ বছর বয়সী নিপুণ রায় চৌধুরী পেশায় আইনজীবী। ২৩টি মামলায় ২০২৫ সালে অব্যাহতি, খালাস ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। বার্ষিক আয় সাড়ে ৩০ লাখ টাকা আর সম্পদ রয়েছে ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকার।
জীবা আমিনা খান: প্রায় ৬৪ বছর বয়সী জীবা আমিনা খান স্বশিক্ষিত; সংসদ সদস্য হতে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়েন গত ১২ এপ্রিল। ৯টি মামলা চলমান; কোনোটা উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত বা জামিনে রয়েছেন তিনি। বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৫ লাখ আর সম্পদ রয়েছে ৮০ লাখ টাকার।
মাহমুদা হাবীবা: ৫৩ বছর বয়সী মাহমুদা হাবীবা বিকম পাস করেছেন। কোনো মামলা নেই। বার্ষিক আয় ৬ লাখ টাকা আর সম্পদ রয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার।
মোছা. সাবিরা সুলতানা: ৫০ বছর বয়সী মোছা. সাবিরা সুলতানা উচ্চ মাধ্যমিক করেছেন। দুটো মামলা চলমান আর ৮টি মামলা খালাস হয়েছে। ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। আয়কর রিটার্নে দেখানো হয়েছে বার্ষিক আয় ১৫ লাখ টাকা আর সম্পদ ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
সানসিলা জেবরিন: ৩২ বছর বয়সী সানসিলা জেবরিন এমবিবিএস করেছেন, ইংল্যান্ড থেকে এমআরসিএস পড়েছেন। আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রভাষক হিসেবেও ছিলেন। বার্ষিক আয় প্রায় ৭ লাখ টাকা আর সম্পদ রয়েছে ৬৪ লাখ টাকার মতো।
সানজিদা ইসলাম তুলি: ৪৩ বছর বয়সী সানজিদা ইসলাম টেক্সটাইলে বিএসসি করেছেন। কোনো মামলা নেই। বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা আর সম্পদ দেখিয়েছেন ২ কোটি ১৩ লাখ টাকার বেশি।
সুলতানা আহমেদ: ৬২ বছর বয়সী সুলতানা আহমেদ করেছেন এলএলবি। ৫টি মামলা খালাস রয়েছে। বার্ষিক আয় ৯৬ লাখ টাকা আর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে সাড়ে ৫ কোটি টাকার।
ফাহমিদা হক: ৪৮ বছর বয়সী ফাহমিদা হক বিএসসি পড়েছেন। পেশায় খেল ও বিশ্লেষক। বার্ষিক আয় ৭ লাখ টাকা আর সম্পদ রয়েছে ৬০ লাখ টাকার। আর স্বামীর বার্ষিক আয় ৫৮ লাখ টাকা ও সম্পদ রয়েছে ৩ কোটি ৯২ লাখ টাকার।
আন্না মিন্জ: ৬৪ বছর বয়সী আন্না মিন্জ পড়েছেন এমএসসি। তিনি বার্ষিক আয় করেন ১ কোটি ৫ লাখ টাকা। আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৮ লাখ টাকার।
সুবর্ণা সিকদার: ৫২ বছর বয়সী সুবর্ণা সিকদার স্নাতক পাস। বার্ষিক আয় ৭ লাখ ৬৩ হাজার, সম্পদ রয়েছে ৩৯ লাখ টাকার।
শামীম আরা বেগম স্বপ্না: ৬৬ বছর বয়সী শামীম আরা বেগম স্বপ্না এমএসসি করেছেন। দুটি মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। চলতি অর্থবছরে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা আয়; এরমধ্যে জমি বিক্রি হতে মূলধনী আয় প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর তার সম্পদ রয়েছে ৪ কোটি টাকার।
মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার: ৫২ বছর বয়সী মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার এমএসএস করেছেন, নবম সংসদে সংরক্ষিত আসনের সদস্য ছিলেন।৫০ লাখ ২৮ হাজার টাকার সম্পদসহ ৫০ ভরি স্বর্ণ হলফনামায় দেখিয়েছেন তিনি।
ফেরদৌসী আহমেদ: ৫২ বছর বয়সী ফেরদৌসী আহমেদ স্নাতক পাস। ৭টি মামলায় এজহারে অভিযুক্ত। আয় ৪ লাখ ৯১ হাজার, সম্পদ রয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ টাকার।
বীথিকা বিনতে হোসাইন: ৪৬ বছর বয়সী বীথিকা বিনতে হোসাইন এমএ করেছেন। বার্ষিক আয় ৩৮ লাখ টাকা, সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ১২ লাখ টাকা।
মোছা. সুরাইয়া জেরিন: ৪১ বছর বয়সী মোছা. সুরাইয়া জেরিন বিএ পাস। ৬টি মামলায় খালাস। আড়াই লাখ টাকা আয়। আর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে ১৩ লাখ ৮০ হাজার টাকার।
মানসুরা আক্তার: প্রায় ৩২ বছর বয়সী মানসুরা আক্তার স্নাতক করেছেন। একটি মামলা ছিল, মামলা তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন (এফআরটি) অবস্থায় রয়েছে। সম্পদের পরিমাণ ৩ লাখ টাকা।
জহরত আদিব চৌধুরী: ৪৩ বছর বয়সী জহরত আদিব চৌধুরী বার এট ল’ করেছেন। বার্ষিক আয় ৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এরমধ্যে চাকরি থেকে গেল বছর ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেন, তা থেকে আয় ৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার। আর সম্পদ রয়েছে ৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার।
মমতাজ আলো: ৫২ বছর মমতাজ আলো স্বশিক্ষিত। ৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা আয় আর সম্পদ রয়েছে ৭২ লাখ টাকার।
ফাহিমা নাসরিন: ৬৩ বছর বয়সী ফাহিমা নাসরিন এমএ পাস। দুটি মামলার একটি স্থগিত ও অন্যটি থেকে অব্যাহতি। বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার টাকা আর সম্পদ ২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।
আরিফা সুলতানা: ৪৭ বছর বয়সী আরিফা সুলতানা এলএলএম করেছেন। মামলা ছিল ৬টি, অব্যাহতি পেয়েছেন। আয় ৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকা আর সম্পদ ৪৬ লাখ ৭০ হাজার টাকার।
মোছা. সানজিদা ইয়াসমিন: ৩৭ বছর বয়সী মোছা. সানজিদা ইয়াসমিন এমএ পড়েছেন। একটি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। ৫ লাখ টাকা বার্ষিক আয় আর সম্পদ রয়েছে ৩৭ লাখ টাকা।
নাদিয়া পাঠান পাপন: ৪২ বছর বয়সী নাদিয়া পাঠান পাপন অর্থনীতিতে এমএ করেছেন। তিনটি মামলা নিষ্পত্তি রয়েছে। ৫ লাখ ১৩ হাজার টাকা বার্ষিক আয় আর সম্পদ রয়েছে ৫০ লাখ টাকার বেশি।
শওকত আরা আক্তার: ৪৯ বছর বয়সী শওকত আরা আক্তার করেছেন এলএলএম। প্রায় ১০ লাখ টাকা আয় করেন আর সম্পদ রয়েছে ২ কোটি টাকার।
মাধবী মার্মা: ৪৯ বছর বয়সী মাধবী মার্মা পড়েছেন এলএলএম। আয় ৩ লাখ টাকার বেশি, সম্পদ ২১ লাখ টাকার।
সেলিনা সুলতানা: ৪৭ বছর বয়সী সেলিনা সুলতানা এলএলবি, একটি মামলায় খালাস। ৮৩ হাজার টাকা আয় আর সম্পদ সাড়ে ২২ লাখ টাকা।
রেজেকা সুলতানা: ৪৮ বছর বয়সী রেজেকা সুলতানা করেছেন এলএলবি। ৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা আয় বছরে, আর সম্পদ ৯৭ লাখ টাকার।
জামায়াত জোটে কতজন উচ্চশিক্ষিত, কার সম্পদ কত
নূরুন্নিসা সিদ্দীকা: ৬৭ বছর বয়সী নূরুন্নিসা সিদ্দীকা এমএ, বিএড। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। আয় ১ লাখ ৬১ হাজার টাকা, সম্পদ প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
মারজিয়া বেগম: ৬৮ বছর বয়সী মারজিয়া বেগম এইচএসসি। আয় ২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, আর সম্পদ ৮৮ লাখ টাকার।
সাবিকুন্নাহার: ৫৩ বছর বয়সী সাবিকুন্নাহার এমএসএস। আয় ১৬ লাখ টাকা আর সম্পদ ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার।
মোসা. নাজমুন নাহার: ৫৫ বছর বয়সী মোসা. নাজমুন নাহার এমএসসি। আয় দেখানো হয়নি আয়কর রিটার্নে, সম্পদ প্রায় পৌনে ২৩ লাখ টাকার।
মাহফুজা হান্নান: ৬৬ বছর বয়সী মাহফুজা হান্নান এমএ। আয় ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা সম্পদ প্রায় ৩৯ লাখ টাকার।
মিসেস সাজেদা সামাদ: ৬২ বছর বয়সী মিসেস সাজেদা সামাদ এসএসসি। একটি মামলা ছিল, গেল বছর নির্বাহী আদেশে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আড়াই লাখ টাকা আয় বছরে, সম্পদ ১২ লাখ ৬৩ হাজার টাকার।
শামছুন্নাহার বেগম: তিনি পড়েছেন বিএসসি, বিএড। আয় ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা আর সম্পদ ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
মারদিয়া মমতাজ: ৪১ বছর বয়সী মারদিয়া মমতাজ এমএসসি। শিক্ষকতা পেশা থেকে বছরে আয় ৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকা সম্পদ রয়েছে ২১ লাখ টাকার।
রোকেয়া বেগম: ৪৮ বছর বয়সী রোকেয়া বেগম এমএসসি। নিজের আয় নেই, অধিগ্রহণকালের মূল্যে লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে।
মাহমুদা আলম মিতু: ৩৭ বছর বয়সী মাহমুদা আলম মিতু এমবিসিএস। ৩ লাখ টাকা আয় আর সম্পদ ২৮ লাখ টাকার।
তাসমিয়া প্রধান: ৪৫ বছর বয়সী তাসমিয়া প্রধান বার এট ল’। প্রায় ৮ লাখ টাকা বার্ষিক আয় সম্পদ রয়েছে ৬৭ লাখ টাকার।
মাওলানা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাহবুবা হাকিমের হলফনামা অস্পষ্টতা থাকায় পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করবে ইসি। আর মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে।
স্বতন্ত্র জোটের একজন প্রার্থী হলেন সুলতানা জেসমিন। বয়স ৩৪ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক। মামলা ছিল ৫টি, প্রত্যাহার হয়েছে গত বছর। সাড়ে ৫ লাখ টাকা বার্ষিক আয় আর সম্পদ সাড়ে ২৮ লাখ টাকার।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।
জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকলে ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করবেন।
এমএইচএইচ/জেবি




