ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য ৩৬ জন মনোনীত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে সরকারি দল বিএনপি। সেই তালিকায় নাম রয়েছে টকশো ‘তৃতীয় মাত্রা’র উপস্থাপক ও পরিচালক জিল্লুর রহমানের স্ত্রী ফাহমিদা হকের।
এ ঘটনা ছোটখাটো বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। খোদ বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর দাবি, ফাহমিদা হক দলের সক্রিয় রাজনীতি করতেন না। সাংবাদিক জিল্লুর স্ত্রী হিসেবেই তাকে সবাই চিনতেন।
বিজ্ঞাপন
এই বিতর্ক নিয়ে ফাহমিদা হক বলেন, ‘আমার বাড়ি নরসিংদীর বেলাবো উপজেলায় হলেও আমরা ঢাকায় বড় হয়েছি। আমার স্বামী সাংবাদিক জিল্লুর রহমান। তবে আমি তার পরিচয় দিইনি। আমার বাবা জহিরুল হক। উনার নাম দিয়েছি সিভিতে।’
জানা গেছে, সাংবাদিক জিল্লুর রহমান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) নির্বাহী পরিচালক। তার স্ত্রী ফাহমিদা হক একই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য।
বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও ফাহমিদা হক সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে। তিনি দলটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের পদে রয়েছেন। সেই হিসেবেই তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন বলেও জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: বাবা-শ্বশুরের পর এমপি হচ্ছেন নিপুণ রায়ও
এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
বিএনপি মনোনয়ন পেয়েছেন যারা
সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, মোছা. সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা শিকদার।
আরো মনোনয়ন পেয়েছেন- শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হোসাইন, মোছা. সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, মোছা. সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা এবং রেজেকা সুলতানা।
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল)।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল ২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল, আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।
এএইচ




