আইন মেনে ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার পক্ষে বিএনপি। দলের বর্ষীয়ান নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
তবে ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় বিএনপি। বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচনের ফল শুক্রবার প্রকাশিত হয়েছে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে ফেলেছে বিএনপি।
বিজ্ঞাপন
২০ বছর পর তারা ক্ষমতায় আসছে। সব কিছু ঠিক থাকলে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই পরিস্থিতিতে তারেক ক্ষমতার আসনে বসে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন নীতি অনুসরণ করেন, সেদিকে সবার নজর রয়েছে।
আরও পড়ুন:
২০২৪ সালের ৫ অগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন স্বৈরশাসক হাসিনা। তার পর থেকে তিনি পালিয়ে ভারতে।
একাধিক বার ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে ভারতেকে চিঠি দিয়েছে। কিন্তু নয়াদিল্লি এখনও জবাব দেয়নি।
বিজ্ঞাপন
জুলাই গণহত্যার মামলায় বাংলাদেশের আদালতে হাসিনা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি ভারত এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। তবে প্রত্যর্পণের দাবিকেই সমর্থন করে বিএনপি।
আরও পড়ুন: তারেক রহমানকে যে বার্তা দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
সালাউদ্দিন বলেছেন, আমাদের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছেন। আমরাও তা সমর্থন করি। আইন অনুযায়ী প্রত্যর্পণের দাবি আমরা সবসময়েই জানিয়ে এসেছি।
এটা দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার। আমরাও হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ কনছি।
বাংলাদেশের সঙ্গে সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রের স্বাভাবিক সম্পর্ক চায় বিএনপি। সালাউদ্দিন বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সাম্যের ভিত্তিতে ভারতসহ সব দেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রয়োজন।
বাংলাদেশের এই ভোটে হাসিনার দল নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ লড়তে পারেনি। তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
নির্বাচন নিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের মানুষ জানে, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হয়েছে। আওয়ামী লীগের কথা যদি তোলেন, তা হলে বলব ২০২৪ সালের অগস্ট মাসে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমেই জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
-এমএমএস

