বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

বিশেষ নজর থাকবে যে ৪০ আসনে

বোরহান উদ্দিন
প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩১ পিএম

শেয়ার করুন:

বিশেষ নজর থাকবে যে ৪০ আসনে

রাত পোহালেই বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। আওয়ামী লীগের টানা তিন মেয়াদে দেশে বিতর্কিত, একতরফা ও বিনাভোটের নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা পেছনে ফেলে এবার সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় গোটা জাতি। সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলো মনে করছে, এবারের ভোট কেবল সরকার গঠনের লড়াই নয়, বরং এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ‘নতুন বাংলাদেশ’ গঠনের এক অগ্নিপরীক্ষা।

৩০০ আসনজুড়ে ভোটের মহাযজ্ঞ চললেও সারা দেশের নজর হেভিওয়েট প্রার্থীদের দিকে। বিশেষ করে দীর্ঘ নির্বাসন ও কারাবাস শেষে ভোটের মাঠে শক্তভাবে নামা বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের নিয়ে গঠিত নতুন রাজনৈতিক নেতারা ভোটের মাঠে আছেন। এই নির্বাচনে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, হাতপাখা, লাঙ্গল আর এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে নির্ধারণ হবে আগামীর ভবিষ্যৎ।


বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবারের ভোটে যেসব আসনের ফলাফলের দিকে বিশেষ নজর থাকবে মানুষের, এমন হেভিওয়েট আসনগুলোর কথা তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে-

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং আইনি জটিলতা নিয়ে দীর্ঘ সময় বিতর্ক ছিল, তবে প্রার্থী হওয়ার পর মৃত্যুবরণ করায় তার আসনে দলের অন্য নেতারা লড়ছেন। তবে রাজনৈতিক গুরুত্ব ও মর‌্যাদা বিবেচনায় ফেনী ও বগুড়ার আসনগুলোতে ধানের শীষের লড়াই এবার অনন্য উচ্চতায়।স্থানীয় নেতারা খালেদা জিয়ার অবর্তমানে নির্বাচন করলেও সবার নজন থাকবে এই আসনগুলোতে। 

 


বিজ্ঞাপন


 

ফেনী-১ (ছাগলনাইয়া-পরশুরাম-ফুলগাজী): খালেদা জিয়ার পৈতৃক ও সবচেয়ে প্রিয় আসন হিসেবে পরিচিত। এখানে দলের প্রার্থীর পক্ষে স্থানীয় নেতাকর্মীরা একাট্টা হয়ে কাজ করছেন। বেগম জিয়ার অনুপস্থিতিতে এই আসনটি পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে তার প্রতি সম্মান জানাতে চায় বিএনপি। 

image
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন

বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর): জিয়া পরিবারের ‘সেফ জোন’ হিসেবে পরিচিত এই আসনে এবার ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখানে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন তরুণ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

বিএনপির হেভিওয়েট নেতাদের আসন

তারেক রহমান (বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭): দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফিরে তারেক রহমান প্রথমবারের মতো সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি তার পৈতৃক আসন বগুড়া-৬ (সদর) এবং রাজধানীর অভিজাত এলাকা ঢাকা-১৭ (গুলশান-বনানী) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঢাকা-১৭ আসনে ইতিমধ্যে একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী তাকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

তবে ঢাকার আসনে জামায়াতের প্রার্থী শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আগেই।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ঠাকুরগাঁও-১): দলের মহাসচিব লড়ছেন তার চিরচেনা আসন ঠাকুরগাঁও-১ থেকে। এখানে তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে জামায়াতের প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে।

‘স্থায়ী কমিটি’র সদস্যরা নিজ নিজ দুর্গে নির্বাচনী লড়াইয়ে ব্যস্ত। মির্জা আব্বাস (ঢাকা-৮): ঢাকার মতিঝিল-শাহবাগ এলাকায় লড়ছেন এই প্রভাবশালী নেতা।তার বিপরীতে এনসিপির নসীরউদ্দিন পাটোয়ারী। 

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩): দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন তিনি।তার বিপরীতে জামায়াত নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

 

সালাহউদ্দিন আহমেদ (কক্সবাজার-১): চকরিয়া-পেকুয়া আসন থেকে লড়ছেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারে তিনি বেশ সরব এবং এই আসনে জামায়াতের প্রার্থীর সঙ্গে তার বাকযুদ্ধ বেশ আলোচনায় এসেছে।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১১): বন্দরনগরীর গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে আমীর খসরুর সঙ্গে জামায়াতের  প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। 

image
সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট

মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (ভোলা-৩): লালমোহন-তজুমদ্দিনে বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতার অবস্থান বেশ মজবুত বলে জানা গেছে। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (সিরাজগঞ্জ-২):  আসনেও ভালো অবস্থানে আছেন বলে জানা গেছে।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (দিনাজপুর-৪): দিনাজপুরের এই আসনে বিএনপির এই চিকিৎসক নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ড. ওসমান ফারুক- কিশোরগঞ্জ–৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে নির্বাচন করছেন। হাওড় অঞ্চলের এই আসনটির দিকেও মানুষের আগ্রহ আছে।

লুৎফুজ্জামান বাবর (নেত্রকোণা-৪): দীর্ঘ ১৬ বছর কারাগারে থাকার পর মুক্তি পেয়ে লুৎফুজ্জামান বাবর নিজ এলাকায় ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে লড়ছেন।

এছাড়াও মাঠের রাজনীতিতে যারা আলোচনার জন্ম দিয়েছেন, তাদের লড়াইও এবার সবার নজরে। 

ইশরাক হোসেন (ঢাকা-৬): অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন এবার পুরান ঢাকার এই আসনে ধানের শীষের কান্ডারি। এই আসনে জামায়াতের ড. আব্দুল মান্নান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

 

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (নাটোর-২): উত্তরবঙ্গের এই দাপুটে নেতা নিজের দুর্গ পুনরুদ্ধারে মরিয়া। তার আসনের দিকে পুরো রাজশাহী বিভাগের মানুষের নজর থাকবে।

শামা ওবায়েদ ইসলাম (ফরিদপুর-২): বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্ষীয়ান নেতা ওবায়েদুর রহমানের মেয়ে শামা ওবায়েদ ফরিদপুরের রাজনীতিতে বিশেষভাবে আলোচিত। এই অঞ্চলের আসনগুলোর মধ্যে এটির দিকে মানুষের নজর থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তাহসিনা রুশদী লুনা (সিলেট-২): নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী লুনা এবার এই আসনে সহমর্মিতার ভোট এবং রাজনৈতিক প্রভাবে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী। তার অবস্থান ভালো বলে জানা গেছে।

সিলেট-১ আসনকে বলা হয় ‘ক্ষমতার চাবিকাঠি’, যে দল এখানে জেতে, তারাই সরকার গঠন করে এমন একটি প্রবাদ প্রচলিত। এখানে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর। আর জামায়াত থেকে এই আসনে লড়ছেন হাবিবুর রহমান।
 
ঢাকা-১৩ আসনে মূলত ববি হাজ্জাজ (ধানের শীষ) এবং মাওলানা মামুনুল হক-এর মধ্যে দ্বিমুখী লড়াইয়ের জোরালো আভাস পাওয়া যাচ্ছে। মোহাম্মদপুর এলাকার বিহারী ক্যাম্পের ভোট এবং আদাবরের মধ্যবিত্ত ভোটাররা কার দিকে ঝুঁকছেন, তার ওপরই নির্ভর করছে কালকের চূড়ান্ত বিজয়।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়ে লড়বেন ড. রেজা কিবরিয়া। আসনটিতে জামায়াতের প্রার্থী রয়েছেন মো. শাহজাহান আলী।

জামায়াতের নেতাদের আসনে যারা

জামায়াত নেতাদের মধ্যে যেসব আসন বেশি আলোচনায় তার মধ্যে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের আসন অন্যতম। লড়ছেন ঢাকা-১৫ (কাফরুল ও মিরপুর থানার আংশিক) আসন থেকে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান।

জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের লড়ছেন কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসন থেকে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মো. কামরুল হুদা এবং আরও সাতজন। আরেকে নায়েবে আমির মজিবুর রহমান প্রার্থী হয়েছেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী ও তানোর) আসনে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দীন।

দলটির আরেক নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন রংপুর-২ (তারাগঞ্জ ও বদরগঞ্জ) আসনে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রার্থী হয়েছেন খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া, ফুলতলা ও ক্যান্টনমেন্টের আংশিক) আসনে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আসগর। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসন থেকে লড়ছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন দুইবারের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।

দলটির ঢাকা দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল প্রার্থী হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন চারবারের সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদ। এ ছাড়া জামায়াতের আরেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী আওয়ামী লীগ সরকার আমলে গুমের শিকার মীর আহমাদ বিন কাসেম (ব্যারিস্টার আরমান) প্রার্থী হয়েছেন ঢাকা-১৪ (মিরপুর, শাহআলী ও দারুসসালাম থানা) আসনে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন বলপূর্বক গুমের শিকারদের প্ল্যাটফর্ম ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি।

ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন ১১ দলের প্রার্থী এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবদিন।

১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে এসে ২৬৮টি আসনে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এই দলের মধ্যে নায়েবে আমীর সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসন (বরিশাল-৫ ও ৬) থেকে লড়ছেন। বরিশাল সদরের আসনে জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলাল শেষ মুহূর্তে ফয়জুল করীমের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। অবশ্য এই আসনে বিএনপির প্রভাবশালী প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার মাঠে আছেন।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ): এই আসনেও ফয়জুল করীম বিএনপির সাবেক এমপি আবুল হোসেন খানের সঙ্গে সমান দাপটের সঙ্গে লড়ছেন।

এনসিপি নেতাদের মধ্যে- ঢাকা-১১ (রামপুরা-বাড্ডা-ভাটারা-হাতিরঝিল আংশিক) আসন থেকে লড়ছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন এম এ কাইয়ুম। রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে লড়ছেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা।

পঞ্চগড়-১ (সদর-তেঁতুলিয়া-আটোয়ারী) আসন থেকে নির্বাচন করছেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের পুত্র ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন থেকে লড়বেন এসসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে। এই আসনে এখন হাসনাতের বিপরীতে লড়ছেন গণঅধিকার পরিষদের জসীম উদ্দিন। যাকে বিএনপি সমর্থন দিয়েছে।

অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের প্রধান নুরুল হক নুর লড়ছেন পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে। এই আসনে বিএনপি তাকে সমর্থন করলেও বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা হাসান মামুনের সঙ্গে লড়াই হবে নুরের।

এদিকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত নেতা লতিফ সিদ্দিকী। যদিও তার নির্বাচনী প্রচারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের কাউকে পাশে পাচ্ছেন না। তার ভাই কাদের সিদ্দিকী সার্বক্ষণিক তার সঙ্গে নির্বাচনে প্রচারে অংশ নিয়েছেন।

রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মো. সামসুজ্জামান সাবু এবং জামায়াতের প্রার্থী মো. মাহবুবুল হক বেলাল।
 
বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ভোটে লড়ছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যেও বেশ কয়েকটি আসনের দিকে নজর রাখবে সাধারণ মানুষ। এদের মধ্যে রয়েছেন-

সাইফুল আলম নীরব (ঢাকা-১২): ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব এবার তেজগাঁও-শিল্পাঞ্চল আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন। এই আসনে বিএনপি জোটগতভাবে সাইফুল হককে (বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি) সমর্থন দিলেও নীরব মাঠ ছাড়েননি। এই ত্রিমুখী লড়াই রাজধানীর অন্যতম আকর্ষণীয় ঘটনা।

রুমিন ফরহানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২): বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফরহানা লড়ছেন জোটের জুনায়েদ আল হাবিবের বিরুদ্ধে।

তাসনিম জারা (ঢাকা-১০): এনসিপি ছেড়ে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়া তাসনিম জারা এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশীদ হাবিবের লড়াই হবে।

বিইউ/ক.ম 

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর