শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ঢাকা

ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে: মোশাররফ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০৪:৫২ পিএম

শেয়ার করুন:

loading/img

ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, অতিদ্রুত নির্বাচনের দিনতারিখ ঘোষণার করুন। জনগণ নির্বাচনমুখী হলে সকল ষড়যন্ত্র ভেস্তে যাবে।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।


বিজ্ঞাপন


মোশাররফ হোসেন বলেন, যে লক্ষ্য নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম তা অর্জন করতে পারিনি। বিগত সরকার ইতিহাসকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। স্বাধীনতার ঘোষণা ও ৭ নভেম্বর মুছে ফেলতে চেয়েছিল। গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই। আর গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। দেশের মানুষ যখনই ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে তখনই তাদের ভোটের মাধ্যমে সরকার নির্বাচিত করেছে। ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে তারা সরকার পরিবর্তন করতে পারে। যে সরকারই গণতন্ত্রকে হত‍্যা করেছে; তাদের বিরুদ্ধে জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছে এবং স্বৈরাচার পালাতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন একমাত্র সমাধান সেটি নতুন করে বলার কিছু নাই। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার ওয়াদা করেছিল । কিন্তু সন্দেহ করছে জনগণের ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অনেকেই সংস্কারের কথা বলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে পেছানোর কথা বলছে। স্থানীয় নির্বাচনের কথা বলছে। অথচ স্থানীয় প্রশাসনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই। দেশের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা নেই। এগুলো বলা হচ্ছে নির্বাচন বিলম্ব করার জন্য।

স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের জন‍্য প্রতিটি আন্দোলনে বিএনপি প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেছে। জনগণের ভোটাধিকারসহ সবকিছু আবার প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে কেনো? ভেবেছিলাম মুক্ত পরিবেশে ভোট হবে; কিন্তু সেটি আবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে । শেখ হাসিনা ভোটের অধিকার হরণের প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। এখন সে ধরনের প্রকল্প হাতে নিয়েছে কিনা সেটি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাস্তবতা হলো অনেকে চেষ্টা করছে বিএনপি যেন ক্ষমতায় না আসতে পারে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা সেনাবাহিনীকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। অন‍্যদের কথায় উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই। এরা কেউ বিএনপির সমকক্ষ নয়। পারস্পরিক সম্মানবোধ থাকতে হবে। বিএনপির যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি তা বজায় রাখতে হবে। সহনশীলতার রাজনীতি থেকে আমরা সরে দাঁড়াতে পারব না। অনেকেই ইতোমধ্যে জনগণের কাছ থেকে প্রত‍্যাখ্যাত হয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।


বিজ্ঞাপন


আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্টজন, বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমই/এফএ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর