শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

বিএনপির ক্ষমতায় আসার পথ প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ

মেশকাত সাদিক
প্রকাশিত: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

শেয়ার করুন:

vote
বিএনপির ক্ষমতায় আসার পথ প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হয়তো বিএনপি-ই ক্ষমতায় আসছে। তবে তা মোটেও সহজে নয়। প্রায় প্রত্যেকটি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত। এটি অবশ্য একটি গণতান্ত্রিক দেশের জন্য খুবই অপরিহার্য বিষয়। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়েই এবার জনগণ ভোট দেবেন। কারণ জনসচেতনা দারুণভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর আগামী সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের চাওয়া খুব জটিল কিছু-ও নয়। বরং খুবই মৌলিক চাওয়া; যা জীবনের সাথে সরাসরি জড়িত। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপদ জীবন। মানবিক স্বাস্থ্যসেবা। শিক্ষাব্যবস্থায় বাস্তব পরিবর্তন। বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানিতে স্থিতিশীলতা। কথা বলার স্বাধীনতা ও ন্যায্য পরিবেশ। রাজনীতিতে সহনশীলতা। কথা কম, কাজ বেশি নীতির বাস্তবায়ন। এসব বিষয় যারা নিশ্চয়তা দিতে পারবেন তারাই ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা। আর ক্ষমতায় আসার পরও তা পূর্ণ মেয়াদে টিকে থাকার জন্য জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন ভোট দিতে পারবেন। মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন। নারী ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৪ জন। এছাড়া, হিজড়া ভোটার রয়েছে ১ হাজার ১২০ জন। তবে আ. লীগের যে-সমস্ত ভোটার ভোট দান করবেন তার ৯৫ শতাংশেরও বেশি ভোট বিএনপি জোট পেতে পারেন। এছাড়া এবার দৃশ্যমান বিষয় হচ্ছে ৪ কোটির বেশি তরুণ ভোটার যারা প্রথম বারের মতো ভোট প্রদান করবেন। এই ভোটই মূলত জয়-পরাজয় নিশ্চিত করবে। সেই হিসেবে বিএনপির চেয়ে জামায়াত জোট বেশি ভোট পেয়ে সরকার গঠন করলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। অপরদিকে প্রায় ১০০-১১০টি আসনে তীব্র লড়াই হবে। এখানেও ভোটের পার্থক্য ১০-২০ হাজার হতে পারে। অতএব সত্যিকার জন প্রত্যশার স্ফূরণ না ঘটাতে পারলে বিএনপি ১৩০-১৪০টি আসন এবং জামায়াত জোট ১০০-১১০ আসন পেতে পারে। তখন একটি অস্থিতিশীল (unstable) কোয়ালিশন সরকার গঠন হতে পারে। সেক্ষেত্রে মধ্যবর্তী নির্বচনেরও প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত যতটুকু মনে হয় ভোটের ফলাফল নিম্নরূপ হতে পারে। 


বিজ্ঞাপন


আরও পড়ুন

আশঙ্কা থাকছে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে

রংপুর বিভাগ। মোট আসন-৩৩ টি।

রংপুর বিভাগে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টির অকল্পনীয় ভোটের লড়াই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগের নির্বাচনগুলিতে আ. লীগ জাপা, বিএনপি’র মধ্যে ভোটযুদ্ধ হলেও এবার তা বিএনপি বনাম জামায়াতে রূপান্তরিত হয়েছে। এই বিভাগে ভোট কাস্টের হারও অন্যান্য বিভাগের তুলনায় অগ্রগণ্য হবে বলে মনে হচ্ছে। রংপুর বিভাগের ৩৩ আসনের মধ্যে গাইবান্ধা জেলায় জামায়াতের অবস্থান ভালো। এছাড়া নীলফামারী, দিনাজপুর ও কুড়িগ্রাম মিলিয়ে এই বিভাগের ৩৩ আসনের মধ্যে জামায়াত-বিএনপির মাঝে ২০টি আসনে মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। খুবই অল্প ভোটের ব্যবধানে বিএনপির প্রার্থীগণ ২০টি আসন পেতে পারে। জামায়াত ৬-৭ টি আসন এবং জাতীয় পার্টি ৬-৭টি আসন পেতে পারে। জামায়াতের সমর্থন না পেলে এনসিপির সারজিস আলম জামানাত হারাতে পারতেন।

রাজশাহী বিভাগ: মোট আসন ৩৯টি। 


বিজ্ঞাপন


রাজশাহী বিভাগে বিএনপি-জামায়াত এর মাঝে সাংঘাতিক ভোটের লড়াই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগের নির্বাচনগুলিতে আ.লীগ, বিএনপির মধ্যে ভোটযুদ্ধ হলেও এবার তা বিএনপি বনাম জামায়াতে রূপান্তরিত হয়েছে। এই বিভাগে ভোট কাস্টের হারও অন্যান্য বিভাগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হবে বলে মনে হচ্ছে। রাজশাহী বিভাগের ৩৯ আসনের মধ্যে জয়পুরহাট জেলার ২টি আসনেই জামায়াতের অবস্থান ভালো। বগুড়া-২, ৩, ৪ এ জামায়াত-বিএনপির ব্যাপক লড়াইয়ের আভাষ পাওয়া যাচ্ছে। তন্মধ্যে বগুড়া-২ ও ৩ এ জামায়াত-বিএনপির লড়াইয়ে জামায়াত জয়লাভ করতেও পারে। রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর), রাজশাহী-৪ (বাগমারা) এবং রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর)- এই তিনটি আসনে বিএনপির দলীয় কোন্দলের কারণে জামায়াতের জয়লাভ সম্ভব। এছাড়া চাঁপাই নবাবগঞ্জের ৩টি আসনেই জামায়াতের জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমীনের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাবেক নেতা তাইফুল ইসলাম টিপু। নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের বিরোধী পক্ষ দাউদার মাহমুদ। নওগাঁয় ছয়টি আসনের মধ্যে নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে বিএনপি প্রার্থী ফজলে হুদার বিরুদ্ধে দলের বিদ্রোহী সাবেক ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকীর ছেলে জনপ্রিয় পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী। নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনেও রয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আলমগীর কবির। তিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও ডেপুটি স্পিকার। তাঁর সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলামকে।

T_S

পাবনায় পাঁচটি আসনের মধ্যে দুটিতে আছেন বিদ্রোহী প্রার্থী। এর মধ্যে পাবনা-৩ (ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর-চাটমোহর) আসনে বিএনপি প্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাবিদ তুহিনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিদ্রোহী সাবেক এমপি এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম। পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব। বিদ্রোহী হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জাকারিয়া পিন্টু। এই সমস্ত কারণে এই বিভাগের ৩৯ আসনের মধ্যে ১৫টি আসন জামায়াত জোট জয় পেয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। কারণ এসব আসনে বিএনপি-ই মূলত বিএনপি’র শত্রু।

খুলনা বিভাগ: মোট আসন ৩৬টি।

খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে বেশিরভাগ আসনে জামায়াত এগিয়ে। বলাবাহুল্য জামায়াত খুলনা বিভাগেই বেশিসংখ্যক আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে ১৩টি আসনে বিএনপি এবং ১১টি আসনে জামায়াত এগিয়ে থাকলেও বাকি ১০টি আসনেও ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে জামায়াত। এই বিভাগে যশোরের ৬টি আসনের ৫টিতেই জামায়াত, সাতক্ষীরার ৪টি মধ্যে ৩টি এবং খুলনা, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহে ২টি করে আসনে জামায়াত তীব্র লড়াই জমিয়ে তুলেছে। এই বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে জামায়াত ২০টি আসন-ও পেয়ে যেতে পারে। এর প্রধানতম কারণ বিএনপি’র অন্তর্কোন্দল।

বরিশাল বিভাগ: মোট আসন ২১টি।

বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে বেশিরভাগ আসনে বিএনপি এগিয়ে। এই বিভাগে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ২/৩ টি আসন পেতে পারে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো- এখানে জামায়াতের পরাজয়ের মূল কারণ হতে পারে চরমোনাই পীরের হাতপাখার সাথে দাঁড়িপাল্লার ভোটের কাটাকাটি। এখানে ১০/১১ টি আসনে বিএনপি এবং ৫/৬টি আসনে জামায়াত এগিয়ে থাকলেও বাকি ১০টি আসনেও ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে জামায়াত।

আরও পড়ুন

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সংঘাত নয়, সম্প্রীতির বিজয় হোক

ময়মনসিংহ বিভাগ : মোট আসন ২৪টি।

এই বিভাগে জামায়াতের একটি আসনেও জয়লাভের সম্ভাবনা ছিল না। কিন্তু শুধু ময়মনসিংহ জেলাতেই ১১টি আসনে মধ্যেই বিএনপির ৯জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্যই এই বিভাগে জামায়াত ২/১টি আসন পেয়ে যেতে পারে। সবমিলে এই বিভাগের নেত্রকোণা, শেরপুর, জামালপুর ও ময়মনসিংহ মিলে ২৪টি আসনের মাঝে জামায়াত ৩টি আসন পেতে পারে। বাদবাকি আসন বিএনপি ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ভাগাভাগি হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

সিলেট বিভাগ। মোট আসন ১৯টি।

সিলেট বিভাগের নির্বাচন মূলত বিএনপির দলীয় বিভেদ ও জামায়াত জোটের নেতাদের মাঝে জমে উঠেছে। এই বিভাগে জামায়াতের তেমন মারাত্মক জনপ্রিয়তা না থাকলেও এবার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে জামায়াত অধিকাংশ আসন জোটের নেতাদের ছেড়ে দেওয়াই এই বিভাগে বিএনপি ও স্বতন্ত্র এবং ক্ষেত্রবিশেষে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের জন্য জয়লাভের সুযোগ এসেছে। এখানে ১৯টি আসনের মধ্যে জামায়াত জোট ৪টি আসন পেতে পারে।

544

চট্টগ্রাম বিভাগ: মোট আসন ৫৮টি।

এই বিভাগে বিএনপি-জামায়াত জোটের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। তবে অধিকাংশ আসনেই বিএনপি এগিয়ে আছে। এই বিভাগের ৫৮টি আসনের মধ্যে ৮-১০টি আসন জামায়াত জোট পেতে পারে। তবে আরও অনধিক ২০টি আসনে জয়-পরাজয়ের ব্যবধান থাকতে পারে ১০-২০ হাজার ভোটের। এই বিভাগে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলাতে জামায়াত জোট তুলনামূলক ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। হাতিয়া থেকে হান্নান মাসুদ শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা থেকে হাসনাত আব্দুল্লাহর জয়লাভ প্রায় নিশ্চিত।

ঢাকা বিভাগ: মোট আসন ৭০টি।

ঢাকা বিভাগের ৭০টি আসনের মাঝে তীব্র ভোটযুদ্ধ হচ্ছে। এই বিভাগের মধ্যে ঢাকার ফলাফল কোন্ দিকে যাবে তা অনেকটাই অনিশ্চিত। কারণ এখানে সকল ভোটারই সচেতন। ভয়-ভীতি বা সাময়িক লাভালাভের বিষয়টিকে ভোটারগণ মূল্যায়ন করবেন না। তাছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানের কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা হওয়াতে নতুন তরুণ ভোটার ও নারী ভোটারগণ হৃদয়বিদারক ঘটনাগুলি স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করার কারণে জামায়াত জোটের দিকে ভোট যেতে পারে। আবার ঢাকার ভোটারগণ যেহেতু এলিট শ্রেণির তারা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে অনেকটাই ধর্মীয় প্রভাবমুক্ত থাকতে চায়, সে-কারণে ধর্মভিত্তিক দল জামায়াত নেতৃত্বাধীন জামায়াতের জোটের দিকে ভোটের বাতাস নাও বইতে পারে। ফলে ঢাকা জেলার আসন এবং ঢাকা বিভাগের মোট আসন জামায়াত-বিএনপি’র মাঝে ২ ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়তে পারে। আর যদি তরুণ ও নারী ভোট জামায়াত জোট নিজেদের দিকে না ভেড়াতে পারে তাহলে এই বিভাগের ৭০টি আসনের ১০টি আসন জামায়াত জোট পেতে পারে। 

আরও পড়ুন

এবারের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট

জামায়াত জোট রংপুর বিভাগে ৬-৭টি, রাজশাহী বিভাগে ১০-১২টি, খুলনা বিভাগে ১৮-২০টি, বরিশালে ৫-৬টি, ময়মনসিংহ-তে ৩-৪টি, সিলেটে ৪-৫টি, চট্টগ্রামে ৮-১০টি এবং ঢাকা বিভাগে ১০-১২টি আসন-সহ সর্বমোট: ৭৫-৮০টি আসন পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের হিসেবে তারা বিএনপি জোটের থেকে মাত্র ৮-১০ শতাংশ পিছিয়ে থাকতে পারে। অবশ্য ভোটের হিসাব নিকাশ ভোট শেষ করে গণনার আগে কেউ বলতে পারে না। তাই একটি অভিজ্ঞতালব্ধ পারিপার্শ্বিক বিষয় বিবেচনা এবং জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের নানাবিধ খুঁটিনাটি বিষয় বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই কলামটি লেখা হলো। এটি একান্তই ব্যক্তিগত মতামত। আমার এই বিশ্লেষণে কেউই তার ভোটদানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে বদল না করুক এই প্রত্যাশা করি। সাথে সাথে এটাও মনে করি আগামীর সংসদ হোক প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার নির্ভর। বহু রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও জুলাই অভ্যুত্থানের সমন্বিত স্বপ্ন বাস্তবায়িত হোক। আধিপত্যবাদমুক্ত মানুষ একটি নিরাপদ বাংলাদেশে বসবাসের সুযোগ পাক। আল্লাহ যেন সেই তওফিক দান করেন। আমিন।

লেখক: রাজনীতি বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর