সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

জাপানের প্রযুক্তির বাজারে পিছিয়ে বাংলাদেশ, ভারত-ভিয়েতনাম কোরিয়ার দাপট

বোরহান উদ্দিন, জাপান থেকে
প্রকাশিত: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম

শেয়ার করুন:

জাপানের প্রযুক্তির বাজারে পিছিয়ে বাংলাদেশ, ভারত-ভিয়েতনাম কোরিয়ার দাপট

​* বাংলাদেশি আইটি প্রকৌশলী মাত্র হাজারখানেক 

* ২০৩০ সালের মধ্যে জাপানে ঘাটতি হবে প্রায় ৮ লাখ আইটি কর্মীর

* বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কারিকুলাম আধুনিকায়ন ও জাপানি ভাষায় জোর দেওয়ার তাগিদ

* সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে আইটি খাতে আরও বেশি পেশাজীবী যুক্ত করার চেষ্টায় সরকার

তীব্র জনবল সংকট মোকাবিলা এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিক্স ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে জাপান। এর ফলে দেশটির প্রযুক্তি খাতে তৈরি হচ্ছে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ। বাড়ছে দক্ষ বিদেশি আইটি পেশাজীবীদের চাহিদাও। আন্তর্জাতিক কর্মীদের জন্য সম্ভাবনার এই বিশাল বাজারে ভারত, ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া ও নেপালের পেশাজীবীরা নিজেদের অবস্থান শক্ত করলেও অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। জাপানের প্রযুক্তি খাতে কাজের সুযোগ থাকলেও তা কাজে লাগাতে পারছেন না বাংলাদেশের আইটি পেশাজীবীরা।

​প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জাপানে প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি বসবাস ও কর্মরত আছেন। এদের মধ্যে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী, যারা জাপানি ভাষা শেখা বা উচ্চতর শিক্ষা শেষে দেশটির কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। কিন্তু বিশাল এই অভিবাসী জনগোষ্ঠীর বিপরীতে জাপানের মূল আইটি খাতে কাজ করছেন মাত্র হাজারখানেক বাংলাদেশি প্রকৌশলী।

​জাপান সফরকালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশটির জনসংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। কাজের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ও প্রযুক্তিগত বিপ্লব ধরে রাখতে ‘সোসাইটি ৫.০’ (Society 5.0) নামের একটি দূরদর্শী মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে জাপান সরকার। এই ভাবনার মূল লক্ষ্য—সাইবার স্পেস (ভার্চুয়াল জগৎ) ও ফিজিক্যাল স্পেসের (বাস্তব জগৎ) নিখুঁত সমন্বয় ঘটিয়ে একটি মানবকেন্দ্রিক সমাজ গড়ে তোলা; যেখানে স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও পরিবহন ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো চলবে সম্পূর্ণ আইটি নির্ভরতায়।

Japan-3​বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে জাপান এখন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, এআই, রোবোটিক্স, ক্লাউড টেকনোলজি ও সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ খুঁজছে। দেশটির অর্থ ও বাণিজ্য বিশ্লেষণের তথ্যমতে, ২০৩০ সালের মধ্যে জাপানে প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার (প্রায় ৮ লাখ) আইটি কর্মীর বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হবে।

​আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি দক্ষতা কিংবা ইংরেজি জানা কর্মীদের জন্য জাপানি প্রযুক্তিনির্ভর কোম্পানিগুলোতে আকর্ষণীয় বেতনের সুযোগ রয়েছে। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বার্ষিক বেতন সাধারণত ৪০ লাখ থেকে ২ কোটি ইয়েন বা তার চেয়ে বেশি হয়। জুনিয়র বা মিড-লেভেল আইটি সাপোর্ট স্পেশালিস্টদের বার্ষিক আয় ৪০ থেকে ৭৫ লাখ ইয়েন, আর সিনিয়র বা এআই স্পেশালিস্ট ও প্রোডাক্ট ম্যানেজারদের বেতন বার্ষিক ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ ইয়েন বা তারও বেশি। এমনকি ‘টোকিওদেব’ (TokyoDev) এবং ‘জাপান দেব’ (Japan Dev)-এর মতো জনপ্রিয় নিয়োগ প্ল্যাটফর্মগুলোতে ফুল-স্ট্যাক, ব্যাকএন্ড, এআই ও ডেভপস পদের জন্য বার্ষিক ৬০ লাখ থেকে ২ কোটি ইয়েনের কর্মসংস্থান উন্মুক্ত রয়েছে।

​রাজধানী টোকিওতে স্বামীসহ বসবাস করেন প্রবাসী মারিয়া রহমান। ২০১৮ সালের জুলাই সেশনে ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সে জাপান আসা মারিয়া দেশের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিএসইতে স্নাতক শেষ করেছিলেন। জাপানে এসে এক বছর ভাষাশিক্ষা চালিয়ে এন-টু (N2) লেভেল পার করার পর পরই একটি আইটি প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী চাকরি পান তিনি।

​মারিয়া বলেন, ‘আমি যখন যোগ দেই, তখন ওই কোম্পানিতে একমাত্র বিদেশি কর্মী ছিলাম আমি। এখন আরও কয়েকজন আছেন, তবে তারা অন্য দেশের। আমার স্বামী বাংলাদেশে আইটিতে চাকরি করতেন। তিনি ডিপেন্ডেন্ট ভিসায় আসার চার মাসের মধ্যে নিজের আড়াই বছরের অভিজ্ঞতা ও একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড দিয়ে একটি মাল্টিন্যাশনাল আইটি কোম্পানিতে চাকরি পান। গত ৫ বছর ধরে তিনি সেখানে কাজ করছেন।’

মারিয়া আরও জানান, ‘জাপানি ঐতিহ্যবাহী কোম্পানিগুলোতে শুরুর দিকে মূল বেতন কিছুটা কম (মাসিক প্রায় ২ লাখ ইয়েনের কাছাকাছি) হলেও বহুজাতিক (মাল্টিন্যাশনাল) বা ফরেনার-ফ্রেন্ডলি প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাসে ৪ থেকে ৫ লাখ ইয়েন বা তার চেয়ে বেশি আয় করা সম্ভব। স্থানীয় জাপানি কোম্পানিতে চাকরি পেতে ভাষার এন-টু বা এন-ওয়ান দক্ষতা জরুরি হলেও রাকুতেন, পেপে বা অন্যান্য বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে কেবল কারিগরি দক্ষতা দেখেই নিয়োগ দেওয়া হয়।’

​টোকিওর ওহানাজায়াতে থাকা সাকিব হাসান পড়ছেন ‘জাপান ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব সাইবারনেটিক্স’-এর আইটি বিভাগে। পড়াশোনা শেষে জাপানের আইটি খাতেই ক্যারিয়ার গড়তে চান তিনি।

সাকিব বলেন, জাপান সরকার ও জনগণ প্রযুক্তির সুরক্ষার বিষয়ে কোনো ছাড় দেয় না। যেমন এআই বিপ্লবের সঙ্গে তাল মেলাতে জাপান এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ করছে। বাংলাদেশ থেকে যারা আসতে চান, তাদের প্রযুক্তির মৌলিক ও গভীর জ্ঞান নিয়েই আসতে হবে।

​একই কথা বলেন টোকিওপ্রবাসী জাহিদুল ইসলামও। তিনি বলেন, প্রযুক্তি বিষয়ে ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি থাকলে এখানে বিপুল টাকা আয় করা সম্ভব। আমাদের পাশেই ভারতের প্রবাসীরা আইটিতে কাজ করে মাসে ১০ লাখ ইয়েনের ওপর আয় করছেন; আর সঠিক পরিকল্পনার অভাবে আমরা এখানে অনেক পিছিয়ে।

​জাপানে আইটি পেশাজীবীদের বার্ষিক গড় বেতন প্রায় ৫৪ লাখ ২০ হাজার ইয়েন। যেখানে জাপানিদের তুলনায় বিদেশি আইটি প্রকৌশলীদের কাজের মূল্যায়ন ও বেতন ক্ষেত্রবিশেষে প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি হয়। ভারত, ভিয়েতনাম, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন ও নেপালের কর্মীরা যেখানে বাজার দখল করছেন, সেখানে বাংলাদেশ অনেকটাই তলানিতে।

​তবে চ্যালেঞ্জের মধ্যেও রয়েছে সম্ভাবনার আলো। জাইকা (JICA) ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ-জাপান আইসিটি ইঞ্জিনিয়ার্স ট্রেনিং প্রোগ্রাম’ (B-JET) চালু রয়েছে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণদের জাপানি ভাষা ও আইটি ট্রেনিং দিয়ে সরাসরি জাপানের শীর্ষ কোম্পানিতে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মতো প্রতিষ্ঠানের অনেক গ্র্যাজুয়েট এখন সফটব্যাংক, এনটিটি, টয়োটা ও ফুজিৎসুর মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।

Japan-2​দীর্ঘদিন ধরে জাপানের আইটি খাতের সঙ্গে যুক্ত দেশীয় প্রতিষ্ঠান ব্রেইন স্টেশন ২৩ পিএলসির নির্বাহী পরিচালক এম জে ফেরদৌস বলেন, জাপান প্রতিবছর সফটওয়্যার ও আউটসোর্সিং সেবার জন্য প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে। এর মধ্যে ভিয়েতনাম একাই ৬ থেকে ৭ শতাংশ বাজার দখল করে নিয়েছে। সে তুলনায় বাংলাদেশের অর্জন খুবই সামান্য। কিন্তু আমরা যদি সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারি, তবে আমাদের জন্য এই প্রবৃদ্ধির সুযোগ বিশাল।

​জাপান রেমিট ফাইন্যান্সে (জেআরএফ) আইটি সাপোর্ট প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত মেহেদী হাসান মুন্না বলেন, ‘এখানকার কাজের পরিবেশ ও ধরন দেশের চেয়ে আলাদা। প্রযুক্তিতে শুধু ভাসা ভাসা জ্ঞান দিয়ে জাপানের বাজারে টিকে থাকা কঠিন। একদম বাস্তবসম্মত ও প্রয়োগমুখী দক্ষতা অর্জন করে আসতে হবে।’

​ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, ‘জাপানে এআই ও আধুনিক সফটওয়্যার প্রকৌশলীদের বিপুল চাহিদা তৈরি হয়েছে। যেখানে ভারত, ভিয়েতনাম ও নেপাল সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় প্রচুর আইটি কর্মী পাঠাচ্ছে, সেখানে আমরা পিছিয়ে পড়ে আছি। দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আইটি কারিকুলাম জাপানের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিকায়ন করা জরুরি।’

​বাংলাদেশি কর্মীদের এই স্থবিরতা দূর করতে সামাজিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের ওপর জোর দিয়েছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির। তিনি বলেন, জাপানে দক্ষ জনবল পাঠানোর উদ্যোগ জোরদার করতে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার চালানো প্রয়োজন। বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাপান দূতাবাসে যে ‘জাপান সেল’ চালু করেছিল, তার মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা ও চাহিদার তথ্য তরুণদের কাছে পৌঁছানো দরকার।

​জাপানে কর্মরত বৈশ্বিক এভিয়েশন গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও এয়ার কার্গো সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সুইসপোর্টের জেনারেল ম্যানেজার ফারুক মুক্তাদির ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘জাপানে যারা আসতে আগ্রহী তাদের ব্যক্তিগত প্রস্তুতির পাশাপাশি সরকারেরও নজর দেওয়া উচিত-প্রযুক্তির এই যুগে কীভাবে বেশি দক্ষ জনশক্তি পাঠানো যায়। ভাষাগত দক্ষতার পাশাপাশি সফটওয়্যার, কোডিং ও কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এখানে বিশাল চাহিদা আছে। এটাও সঠিক রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সুসংগঠিতভাবে হতে পারে। সরকারকে প্রয়োজনে নির্দিষ্ট ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করে দিতে হবে, যারা কোথায় কতজন জনশক্তি প্রয়োজন তা নিশ্চিত করে দক্ষ লোক পাঠানোর ব্যবস্থা করবে। তথাকথিত দালাল চক্র যেন এখানে সুযোগ না পায়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।’

​বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া ফারুক মুক্তাদির আরও যোগ করেন, ‘আইটি সেক্টরে কাজের সুযোগ ও সুবিধা যেমন অসামান্য, তেমনি এখানে যত বেশি দক্ষ বাংলাদেশি আসবেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সম্মানও তত বাড়বে।’

Japan-4​দেড় যুগ আগে জাপানে আসা মাইনুল ইসলাম টোকিওর বিখ্যাত এলাকা শিন-কোইওয়ায়ে গাড়ির ব্যবসা করছেন, পাশাপাশি পরিচালনা করছেন একটি ফ্রিল্যান্স প্রতিষ্ঠান।

​ঢাকা মেইলকে এই সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি এবং জাপানি ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বাড়ানো গেলে বাংলাদেশে বসেই ফ্রিল্যান্সিং করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব, সেজন্য বাধ্যতামূলকভাবে জাপানে আসতেও হবে না। সরকারকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে; কারণ দেশে বসে কাজ করলেও সেই অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসবে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহকে শক্তিশালী করবে।’

সার্বিক বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘জাপান সরকার বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ইতোমধ্যে জাপানের শীর্ষভিত্তিক ই-কমার্স ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘রাকুতেন’সহ বিভিন্ন সংস্থায় সহস্রাধিক বাংলাদেশি আইটি প্রকৌশলী সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে জাপান সরকারের চাহিদা অনুযায়ী আইটিসহ অন্যান্য দক্ষ খাতে আরও বেশি বাংলাদেশি পেশাজীবী যুক্ত করতে দূতাবাস ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছে।’

বিইউ/এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর