মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে নতুন করে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় নামকরণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, স্বৈরশাসক এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। এরশাদের পতনের পরে বিএনপি সরকারের সময় ১৯৯৪ সালের ৫ মে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় হিসেবে নতুন নাম পায়।
মন্ত্রিসভার একই বৈঠকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন সচিবালয় স্থাপনের প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। লুই আই কানের মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী প্রায় ৩১ দশমিক ৫৮ একর জমিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৯ সালে নতুন স্থানে সচিবালয়ের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন সচিবালয়ে তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। এতে মোট প্রায় ৩৩ লাখ ১৬ হাজার বর্গফুট জায়গা থাকবে। পাশাপাশি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা, মসজিদ, দুটি বহুমুখী হল, ক্যাফেটেরিয়া ও ডাকঘর নির্মাণ করা হবে। প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গা সবুজায়ন ও জলাধারের জন্য রাখা হবে।
এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি হ্রাস এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এ উদ্যোগের লক্ষ্য। আগামী গ্রীষ্মের আগে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েও কাজ করছে সরকার।
জেবি




