শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শনিবার ৭৫ ওয়ার্ডে ডিএসসিসির বিশেষ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম

শেয়ার করুন:

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শনিবার ৭৫ ওয়ার্ডে ডিএসসিসির বিশেষ অভিযান
ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭৫টি ওয়ার্ডে একযোগে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান চালানো হবে। 

‘সাপ্তাহিক ক্লিনিং ডে’ কর্মসূচির আওতায় আবাসিক এলাকা, সড়ক, ড্রেন, ছাদ ও নির্মাণাধীন ভবনে মশক নিধনের পাশাপাশি এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংস করা হবে। আগামী তিন মাস প্রতি শনিবার এ কর্মসূচি চলবে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ডিএসসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার সকাল থেকে ৭৫টি ওয়ার্ডের আবাসিক এলাকা, সড়ক, ড্রেন, ভবনের ছাদ ও নির্মাণাধীন ভবনে লার্ভিসাইডিং ও অ্যাডাল্টিসাইডিং করা হবে। একই সঙ্গে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং পরিত্যক্ত ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র, টায়ারসহ এডিসের সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিষ্কার করা হবে।

সচেতনতা বাড়াতে প্রতিটি ওয়ার্ডে র‌্যালি এবং ঘরে ঘরে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণের কর্মসূচিও রয়েছে। ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম ওয়ার্ড পর্যায়ের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন।

সংস্থাটি বলছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশব্যাপী তিন মাসের ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডিএসসিসি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সংস্থাটির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে আগামী তিন মাস প্রতি শনিবার ৭৫টি ওয়ার্ডে ‘সাপ্তাহিক ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে।

কর্মসূচিতে নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ চেয়েছে ডিএসসিসি। নিজ নিজ বাসাবাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

উল্লেখ্য, ডিএসসিসির ‘বর্ষা পূর্ব জরিপ ২০২৬’-এর তথ্য বলছে, এডিস মশার লার্ভা সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে, ৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। স্বতন্ত্র বাড়িতে ২৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ, নির্মাণাধীন ভবনে ১৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং সেমিপাকা বাড়িতে ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ লার্ভা পাওয়া গেছে।

এডিসের প্রজননস্থলের ধরন বিশ্লেষণে মেঝেতে জমে থাকা পানিতে ১২ দশমিক ২৬ শতাংশ, বালতির পানিতে ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং প্লাস্টিকের ড্রামে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ লার্ভা শনাক্ত হয়েছে।

ডিএসসিসি জানিয়েছে, বাসাবাড়ি ও ব্যক্তিগত আঙিনায় জমে থাকা পানি, ফুলের টব, এসি ও ফ্রিজের ট্রে কিংবা বাথরুমের কমোডে এডিসের প্রজনন হতে পারে। ব্যক্তিমালিকানাধীন এসব জায়গায় এডিস নিয়ন্ত্রণ সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে শুধু মশার ওষুধ ছিটানোর ওপর নির্ভর না করে নগরবাসীকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।

এমএইচ/এআরএম 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর