বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে সমন্বয় করে সংরক্ষণ করতে হবে: এ্যানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম

শেয়ার করুন:

ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে সমন্বয় করে সংরক্ষণ করতে হবে: এ্যানি
‘হৃদয়ের ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং চিত্রশিল্পীদের সম্মাননা অনুষ্ঠান। ছবি: ঢাকা মেইল

অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে সমন্বয় করে সংরক্ষণ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন এ্যানি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ‘হৃদয়ের ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং চিত্রশিল্পীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

শহীদ উদ্দিন অ্যানি বলেন, ‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও প্রথিতযশা শিল্পীদের ক্যানভাসে ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে সমন্বয় করে সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ অতীতকে ভিত্তি করেই আধুনিক সমাজ সমৃদ্ধ হয়।’

তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ‘হৃদয়ে ঢাকা’ কর্মসূচির প্রশংসা করেন। এ ধরনের আয়োজন নগরবাসীর মধ্যে নাগরিক সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম শেখ।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম শেখ বলেন, ব্রিটিশ আমলে প্রখ্যাত চিত্রশিল্পীরা একত্র হয়ে ঢাকার চিত্র এঁকেছিলেন। শত বছর পর ডিএসসিসি আবারও প্রথিতযশা শিল্পীদের নিয়ে ঢাকাকে তুলে ধরার ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য এটি একটি অনন্য উপহার হয়ে থাকবে।

সভাপতির বক্তব্যে মো. খয়বর রহমান বলেন, চিত্রশিল্প সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার। ভাষার প্রচলন ও আনুষ্ঠানিক শিক্ষার আগে থেকেই মানুষ চিত্রশিল্পের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করে আসছে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে চিত্রশিল্পীদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি জয়নুল আবেদিন, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, দেবদাস চক্রবর্তী, স্বপন চৌধুরী ও নুরুন্নবী খানের মতো শিল্পীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের হীনম্মন্যতা দূর করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের সবার প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পাঁচটি বিভাগে মোট ১৫ জন বিজয়ীকে পুরস্কার দেওয়া হয়। পাশাপাশি ঢাকাকে নিয়ে আঁকা ৪২টি চিত্রকর্মের জন্য ৪২ জন প্রথিতযশা চিত্রশিল্পীকে সম্মাননা ও সনদ দেওয়া হয়।

গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় চিত্রশালার ৪ নম্বর গ্যালারিতে এসব চিত্রকর্মের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শনী শেষে চিত্রকর্মগুলো নগর ভবনে অবস্থিত নগর জাদুঘরে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হবে।

এএইচ/এমআই

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর